সুর সাধনার এক স্বপ্নীল পুরুষ তানভীর আলম সজীব…

বিগত কয়েক বছরে বাংলা সঙ্গীতের ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। ইতিমধ্যে সঙ্গীতে প্রত্যাবর্তন করেছেন আমাদের শ্রদ্ধেয় অনেক সঙ্গীত ব্যক্তিরা। তরুনরাও অনেক উৎসাহ নিয়ে গান করছেন।  বর্তমান সময়ের বেশীরভাগ গান হচ্ছে আধুনিক এবং পাশ্চাত্যরীতিতে। এই চলমান আধুনিকতায় নিজেকে ভিন্নত্বভাবে প্রকাশ করলেন তানভীর আলম সজীব। শহরে বেড়ে উঠা এই গায়কের মনটা মিশিয়ে দিয়েছেন লোকজ গানে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশের এই সঙ্গীতশিল্পী তানভীর আলম সজীব ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম কোলকাতার আয়োজনে ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে’তে পারফর্ম করে এলেন। গত ২১ জুন কোলকাতা মিউজিয়ামের সেন্ট্রাল কোর্টইয়ার্ডে অনুষ্ঠানে বিখ্যাত সঙ্গীতসাধক পূর্ণদাস বাউলও একই মঞ্চে পারফর্ম করেছেন তানভীর আলম সজীব। তিনি জানান, সেখানে অনেক কথাই হয় তারা আমার একটি কথা রেখেছেন। তা হলো- ‘ EXCHANGE OF MUSICAL THOUGHTS BETWEEN TWO BENGAL.
তানভীর আলম সজীব গানের জগতে নিজস্ব ধারার সৃস্টি করেছেণ খুব অল্পসময়েই। গানই তার ধ্যান, গানই তার জ্ঞান। বিজ্ঞাপন, নাটক, চলচ্চিত্র সঙ্গীতে কণ্ঠ দেয়া, সঙ্গীত পরিচালনা এসব কাজের মধ্যেই ডুবে থাকেন সঙ্গীত পথের এ পথিক। বর্তমান ব্যস্ততা নিজের অনেকগুলো এ্যালবাম নিয়ে। মোট ৮টি এ্যালবামের কাজ চলছে। যার মধ্যে রয়েছে নিজের লেখা ও সুর করা গানের একটি এ্যালবাম, ইন্দ্রনীলের লেখা ও সুর করা গানের একটি এ্যালবাম, শচীন দেব বর্মণের গানের একটি এ্যালবাম, এনামুল করিম নির্ঝরের কথা ও সুর করা গানের একটি এ্যালবাম, লালনের একটি এ্যালবাম। তিনি ইতোমধ্যে পেয়েছেন সিটিসেল চ্যানেল আই মিউজিক এ্যাওয়ার্ড। এছাড়াও জিতেছেন ১৯৮২ সালে নতুন কুড়ি পুরস্কার, নজরুলগীতিতে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৮৮ সালে, জিতেছেন ব্রিটিশ কাউন্সিল কালচারাল কম্পিটিশন পুরস্কার, বগুড়া সাংস্কৃতিক জোট সম্মাননা পেয়েছেন ২০০৯ সালে। এছাড়াও তার ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় পুরস্কার। তিনি তার সঙ্গীত ভাবনা নিয়ে বলেন – সঙ্গীত এখনো বেশীরভাগ মানুষের কাছে নিছক বিনোদন মাত্র, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যারা সবকিছুর উপরে সঙ্গীতকে রাখে তাদের সাথে নিয়ে সঙ্গীতের গভীর ভাবনাগুলো আগামী প্রজন্মের কাছে পৌছিয়ে দিতে চাই। তানভীর আলম সজীবের সু’ স্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করি। সুর সঙ্গীতে ধন্য হোক তার জীবন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: