বাবার হাত ধরেই শুরু হয় তার সঙ্গীত জীবনের পথচলা…

”আমার বাবার মুখে
প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান,
সেদিন থেকেই গানই জীবন
গানই আমার প্রান।”

এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া গানটির মতই বাবার হাত ধরে তার সঙ্গীত জীবনের পথচলা শুরু হয়। আজ আমরা সেই মানুষটির পথচলার কাহিনী জানবো।

নাম, জীবক বড়ুয়া। পিতার নাম অমিতাভ বড়ুয়া। জন্ম ০৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানায়। তার পিতা একজন লোকগীতি এবং কীর্তন সঙ্গীত শিল্পী। ছোট বেলায় তিনি বাবার সাথে থেকে, তার সঙ্গীতকর্মে বিভিন্ন রকম সাহায্য করতেন। সেখান থেকে লোকসঙ্গীত শিক্ষা এবং তা পরিবেশন দ্বারাই তার সঙ্গীত জীবনের প্রথম ধাপ শুরু হয়।
ছেলেবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল তিনি একজন, একাধারে গায়ক, গীতিকার, এবং সঙ্গীত আয়োজক হবেন। তাই ১৯৯৭ সালে, তিনি স্বপ্ন পূরনে, সঙ্গীত জীবনের সাথে অতপ্রোত ভাবে যুক্ত হন। ২০০৪ সালে তার লেখা প্রথম গানটি প্রকাশিত হয়। তারপর থেকেই তিনি পেশাগতভাবে আয়োজক এবং গীতিকার হিসেবে এ্যালবাম নিয়ে কাজ করা শুরু করেন। তাছাড়া বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশনের একজন গীতিকার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। এ যাবৎ তার লেখা এবং আয়োজন করা উল্লেখযোগ্য এ্যালবাম গুলো হলো, চাটগাঁও এক্সপ্রেস, বিডি এক্সপ্রেস, বাংলা ক্লাসিক এবং তার নিজের গাওয়া এ্যালবাম সাম্পানওয়ালা। তিনি হৃদয় খান, সাব্বির জামান, কিশোর দাশ এবং এস,আই সুমন সহ অনেক জনপ্রিয় শিল্পীদের সাথে কাজ করেছেন।

তিনি তার এক সাক্ষাতকারে সঙ্গীতাঙ্গনকে বলেন, তিনি তার স্বপ্নপূরনের দিনগুলোকে নিয়ে খুবই অধীর। তিনি বলেন আমি আমার বাবার অনুপ্রেরণায় এতদূর আসতে পেরেছি। আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং সহ কর্মীদের ধন্যবাদ আমাকে সমর্থন এবং অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য। আমি বাংলাদেশের একজন সার্থক স্ব-প্রতিষ্ঠীত গীতিকার এবং আয়োজক হতে চাই। এজন্য আমি আমার ভক্ত এবং বন্ধুমহলের নিকট আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।

তিনি তার শেষ বক্তব্যে বলেন, আজকে আমি আমার মনের কথা গুলো সঙ্গীতাঙ্গনের মাধ্যমে সকলের নিকট পৌছে দেয়ার চেষ্টা করেছি। এজন্য সঙ্গীতাঙ্গনকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা আমাকে এভাবেই আশীর্বাদ করে যাবেন, যাতে করে আমি ভবিষ্যতে আরো ভালো এবং নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে পারি। – শাহারিয়ার হাসান…
অলংকরন – মাসরিফ হক…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: