ছায়ানট মিলনায়তনে ‘প্রাণের খেলা’ অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের গান…

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের সুরে পাওযা যায় জীবনের মানসপটের অন্যরকম এক অনুভূতি। তিনিই বাংলা নাগরিক গানের অগ্রপথিক ও অগ্রদূত। নিজের অন্তরতম অনুভুতি তিনি চমৎকারভাবে গানে প্রকাশ করেছেন। আজও তার সেই সৃষ্টি গানে হারিয়ে যায় মন, খুঁজে পায় জীবন অন্যরকম এক প্রানের অস্থিত্ব। রবীন্দ্র গানের মাধুর্য আস্বাদনে আমাদের মনে মানবিক চেতনার সঞ্চার ঘটে। এক কথায়, তাঁর গানে বাণীর প্রকাশ সৌকর্য এবং মর্মগ্রাহী সুর-তালের সম্মিলনে শ্রোতার চিত্তকে আজও জয় করতে সর্মথ হয়। তাঁর কি অপরূপ লিখন!

গত ৩১শে জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধায় ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিয়মিত গানের আসর ‘প্রাণের খেলা’। উক্ত অনুষ্ঠানটি ছিল ৫০তম আসর। অনুষ্ঠানটি রবীন্দধনাথের গান গেয়ে সুরে সুরে প্রানবন্ত করে তোলেন আনন্দময়ী মজুমদার, যদি তারে নাই চিনি গো, গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভুবনখানি, বসন্ত তার গান লিখে যায়, এছাড়া অতুলপ্রসাদ সেনের ‘আমি বাঁধিনু তোমার তীরে’। এবং বুলবুল ইসলাম- অরূপ, তোমার বাণী, কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে, গানের ঝরনাতলায় তুমি, জাগ’ জাগ’ রে জাগ’ সংঙ্গীত, জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে, তোমায় গান শোনাব, আমি যে গান গাই, কাহার গলায় পরাবি গানের, মনে রবে কি না রবে আমারে, ওগো পথের সাথি নমি বারম্বার, পান্থ তুমি পান্থজনের সখা হে, পথে চলে যেতে যেতে, পথিক পরান চল্ চল্ সে পথে, এ পথে আমি-যে গেছি বার বার, যেতে যেতে একলা পথ, পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায় ।

শিল্পীদের সঙ্গে যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন – তবলায় এনামুল হক ওমর, এসরাজে অসিত বিশ্বাস কী-বোর্ডে বিনোদ রায়, এবং মন্দিরায় নাজমুল আলম ঝরু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী। প্রাণের খেলা অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। – রবিউল আউয়াল দুঃখ…
অলংকরন – গোলাম সাকলাইন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: