সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে সঙ্গীতশিল্পী সহ তারাকারা…

“যদি এক হয়ে আমরা হাতে রাখি হাত
ফিরে আসে যতো ব্যথার আঘাত। ”

– সবাই মিলে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। সমাজে যেমন বিত্তবান আছে তেমনি দুস্থ অসহায়ও আছেন। তাই সবাই যদি সবার পাশে দাড়াই অনেক কষ্টই ভাগ করে নেওয়া যায়, সেই মহৎকর্মই করছেন আমাদের দেশের প্রিয় তারকারা।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শোবিজ তারকারা। ওদের হাতে খেলনা ও বই পৌঁছে দেবেন তারা। এই তালিকায় আছেন সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু, সামিনা চৌধুরী, নির্মাতা অমিতাভ রেজা, জান্নাতুল পিয়া ও শিরোনামহীন ব্যান্ড।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আনন্দ দিতে এক্স ক্যাডেটস ফোরামের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হয়েছে ‘টয়স আর ইউরস’ ক্যাম্পেইন। বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় গুলশানে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন তারকারা।

এদিকে এই আয়োজনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান, সঙ্গীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ, তাহসান খান, হাবিব ওয়াহিদ, হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল, অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর প্রমুখ।

এক্স-ক্যাডেটস ফোরাম (ইসিএফ) বাংলাদেশের এক্স-ক্যাডেটদের একটি বিশ্বজনীন ফোরাম। দুস্থ শিশুদের মুখে হাসি ফুটানোর লক্ষ্যে ‘টয়স আর ইউরস’ নামে এই সৃজনশীল উদ্যোগটি নিয়েছে তারা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরিবার থেকে পুরানো খেলনা ও গল্পের বই সংগ্রহ করা হয়। এরপর খেলনাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্কার করে বয়স অনুযায়ী ভাগ করে দুস্থ ও গরীব শিশুদের নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়।

সূর্য পে, সূর্য পে পয়েন্ট, পারফেট্টি ভেন মিলে বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড, আইপিডিসি বাংলাদেশ এই প্রোজেক্টকে সার্বিকভাবে সহায়তা দিচ্ছে।

ইসিএফের সামাজিক দায়িত্ব দলের প্রধান ফিদা হক বলেছেন, ‘আমরা যারা এক্স ক্যাডেট আছি, তারা একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে উদ্যোগটা নিয়েছি।’

এক্স ক্যাডেটস ফোরামের সমন্বয়ক জিয়াদ হোসেন জানান, এ বছর তারা অন্তত দশ হাজার শিশুর মধ্যে খেলনা ও গল্পের বই বিতরণ করতে চান।

গত বছর টয়স আর ইউরস দেশের ১৪টি স্কুল, তিনটি হাসপাতালে প্রায় আড়াই হাজার শিশুর মধ্যে খেলনা বিতরণ করে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ এই ক্যাম্পেইনের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন।

আয়োজকরা জানান, যে কোনো আগ্রহী ব্যক্তি চাইলে তাদের পুরনো বই বা খেলনা এই প্রজেক্টে দিয়ে এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। খেলনা সংগ্রহ চলছে দেশের বিভিন্ন ড্রপঅফ পয়েন্টে।
অলংকরন – গোলাম সাকলাইন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: