সুধীন দাশ ও ড. করুণাময় গোস্বামী স্মরনে স্মৃতিচারন ও সঙ্গীতানুষ্ঠান…

গুণী প্রবাদপ্রতিম সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও গবেষক সুধীন দাশ এবং ড. করুণাময় গোস্বামীকে খুব অল্প সময়ের ব্যাবধানে বিধাতার নিয়মে আমরা তাদেরকে চিরতরে হারালাম। গত ১১ই জুলাই, রোজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে এই দুই গুণীজনকে নিয়ে এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই দুই গুণী ব্যাক্তি বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গী তহসেবে ছিলেন।

আয়োজিত স্মরণানুষ্ঠানের শুরুতে বিশিষ্ট দুই সঙ্গীতজ্ঞের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বক্তব্য প্রদানের শুরুতে সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলমের সম্পাদক আবুল হাসনাত সঙ্গীতে নিবেদিত প্রাণ এই দুই ব্যক্তির সাফল্য ও গৌরব গাঁথা আলোকিত জীবনের কথা তুলে ধরেন শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে। স্মরণসভায় আরও বিশদ আলোচনা করেন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব কামাল লোহানী।

আলোচনা পর্ব শেষে আয়োজন করা হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। সঙ্গীতানুষ্ঠান পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন মফিজুর রহমান। প্রথমে গাইলেন কাজী নজরুল ইসলামের ‘নীলাম্বরী শাড়ী পরি’, ‘ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া’। শিল্পী নাসিমা শাহীন গাইলেন ‘সাঁঝের পাখিরা ফিরল কুলায়’, ‘তুমি যখন এসেছিলে দুটি গান। অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামীর স্নেহধন্য নারায়নগন্জের ইকবাল সুমন গাইলেন ‘কেন ফোটে/কেন কুসুম ঝরে যায়’ এবং ‘বিদায় সন্ধ্যা আসিল ঐ’। তারপর রবীন্দ্র সঙ্গীত ‘পথে চলে যেতে যেতে’, ‘ধায় যেন মোর সকল ভালবাসা’ এবং অতুল প্রসাদ সেনের ‘বাদল ঝুমা ঝুমা’ শোনালেন লাইসা আহমদ লিসা। শেষ শিল্পী হিসেবে ‘যতই দহনা তুমি’ এবং ‘শ্যামা নামের’ গানগুলো শোনালেন খায়রুল আনাম শাকিল।

যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন তবলায় ইফতেখার আলম প্রধান ডলার, কী-বোর্ডে দৌলতুর রহমান, এসরাজে অসিত বিশ্বাস এবং মন্দিরায় নাজমুল আলম ঝরু। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চেীধুরী। সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল আয়োজিত অনুষ্ঠানটি। – রবিউল আউয়াল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: