জাতীয় চলচ্চিত্রের সেরা গায়ক…

বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাস অনেক পুরানো। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে অনেক ছায়াছবি তৈরী হয় এবং সেইসব চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া আরম্ভ হয়। এর একটাই মাত্র কারণ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন পুরস্কারের মাধ্যেমে চলচ্চিত্রে কাজ করার আগ্রহ বাড়ানো এবং চলচ্চিত্রকে আরো উন্নতির শিখরে পৌছে দেবার লক্ষ্যে। স্বাধীন হওয়া রাষ্টে্র সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালে এই চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া শুরু করে। এর আগে সেরা সঙ্গীত পরিচালকদের পুরস্কারের চিত্র নিয়ে সাজানো হয়েছিল আমাদের সঙ্গীতাঙ্গন-এ। এই পর্যায়ে সঙ্গীতাঙ্গন তুলে ধরছে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরস্কারের চিত্র। ক্রমান্বয়ে গায়িকা এবং গীতিকারদের নিয়ে প্রতিবেদন করা হবে শুধু মাত্র পাঠক/পাঠিকা আপনাদের ধারনা রাখার জন্য।

১৯৭৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেই গুণি শিল্পীরা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুষ্ককারে ভূষিত হয় তাদের মধ্যে বাংলাদেশের সুনামধন্য গুনী শিল্পী এন্ড্রু কিশোর পেয়েছেন ৮ বার। জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী ও সুবীর নন্দী পেয়েছেন ৫ বার। মনির খান পেয়েছেন ৩ বার। এবং কুমার বিশ্বজিৎ ২ বার।

আজ পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরুস্কারের তালিকা –

১৯৭৫ – শিল্পী আব্দুল আলীম – সুজন সখি।
১৯৭৬ – মাহমুদুন নবী – দ্যা রেইন।
১৯৭৮ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – গোলাপী এখন ট্রেনে।
১৯৭৯ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – সুন্দরী।
১৯৮০ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – কসাই।
১৯৮২ – এন্ড্রু কিশোর – বড় ভালো লোক ছিল।
১৯৮৪ – সুবীর নন্দী – মহানায়ক।
১৯৮৬ – সুবীর নন্দী – শুভদা।
১৯৮৭ – এন্ড্রু কিশোর – সেরেন্ডার।
১৯৮৯ – এন্ড্রু কিশোর – ক্ষতিপূরণ।
১৯৯০ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – গরিবের বউ।
১৯৯১ – এন্ড্রু কিশোর – পদ্মা, মেঘনা,যমুনা।
১৯৯২ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – ক্ষমা।
১৯৯৩ – আজাদ রহমান – চাপাবাজ।
১৯৯৪ – খালিদ হাসান মিলু – হৃদয় থেকে নেওয়া।
১৯৯৫ – সাইদুর রহমান বয়াতী – নদীর নাম মধুমতি।
১৯৯৬ – এন্ড্রু কিশোর – কবুল।
১৯৯৭ – কিরণ চন্দ্র রায় – দুঃখী।
১৯৯৯ – সুবীর নন্দী – শ্রাবন মেঘের দিন।
২০০০ – এন্ড্রু কিশোর – আজ গায়ে হলুদ।
২০০১ – মনির খান – প্রেমের তাজ মহল।
২০০২ – মনির খান – লাল দরীয়া।
২০০৩ – বসির আহম্মেদ – কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি।
২০০৪ – সুবীর নন্দী – মেঘের পরে মেঘ।
২০০৫ – মনির খান – দুই নয়নের আলো।
২০০৬ – আসিফ আকবর – রানী কুটির বাকি ইতিহাস।
২০০৭ – এন্ড্রু কিশোর – সাজঘর।
২০০৮ – এন্ড্রু কিশোর – কি যাদু করিলা।
২০০৯ – কুমার বিশ্বজিৎ – স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা।
২০১০ – এস আই টুটুল – ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না।
২০১১ – কুমার বিশ্বজিৎ – মা আমার চোখের মণি।
২০১২ – পলাশ – ক্ষুদার পড়ে।
২০১৩ – চন্দন সিনহা – পূর্ণ দৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী।
২০১৪ – জেমস – দেশা: দ্যা লিডার।
২০১৫ – সুবীর নন্দী – মহুয়া সুন্দরী।
২০১৫ – এস আই টুটুল – বাপজানের বাইস্কোপ। – মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্না…

2 thoughts on “জাতীয় চলচ্চিত্রের সেরা গায়ক…

  • July 19, 2017 at 6:52 am
    Permalink

    অামি অামার গুরু জি স্যার,, এড্রু কিশোর,, স্যার কে অামার মনের গোবির থেকে ভালোবাসি অার স্যার অামার অামাদের মাঝে চিরো অমোর হয়ে থাকবে অাপনে
    দোয়া করি ,,, সাদ্দাম হোসেন
    জেলা,,শরীয়তপুর, থানা,,নড়িয়া

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: