জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুস্কারে গীতিকবিরা…

কিছু হাসি কিছু কান্না। কিছু ব্যাথা কিছু বেদনা। কিছু বাস্তব জীবনের কথায় অবাস্তব জীবনের গল্পের চিত্র ফুটে ওঠে গীতিকারদের গানের কথায়। যে গানের কথায় দুখিরা পায় সুখের ছোয়া ও সান্তনা।আর সুখীরা উপলব্দী করতে পারে দুখের বাস্তবতা। যে গান বলে দেয় মানুষের জীবন মরণের কথা। সেই ধরনের গান আমাদের উপহার দিয়ে আসছে বিগত দিন ধরে। এখনও দিয়ে যাচ্ছে ভবিষৎ এ ও দিবে যত দিন তারা আমাদের পাশে আছে। সেই গুণী মানুষের কথাই বলছি যারা গান লিখে গানের মাধ্যেমে আমাদের দেশের চলচ্চিত্রকে সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়েছে। এখনো সাফল্যের সুপান টিকিয়ে রাখতে আপ্রান চেষ্টা ও শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। তাদের কে তাদের দানের প্রাপ্তি আমরা দিয়ে শেষ করতে পারবো না। তার পরও তাদের সম্মানার্থে এ জাতীয় চলচ্চিত্র সমিতি প্রতি বছর তাদের ভালো কাজের বিবেচনায় বিভিন্ন পুরুস্কারে ভূষিত করেন। আর দর্শক শ্রোতারা যাতে এই তথ্যটা জানতে পারেন কোন বছর কে কে এই সম্মাননা পাচ্ছে সেই জ্ঞ্যাতার্থে সঙ্গীতাঙ্গন তাদের কে তুলে ধরেন আপনাদের সামনে। গীতিকারদের মাঝে সবচেয়ে বেশি পুরুস্কার নিয়ে এগিয়ে আছে সুনাম ধন্য গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার। তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুস্কারে সম্মানিত হয়েছেন ৫ বার। ৪ বার পুরুষ্কৃত হয়েছেন গীতিকবি কবির বকুল। ৩ বার পুরুষ্কার নিয়েছেন মনিরুজ্জামান মনির। তাছাড়া ২ বার করে পুরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন আমজাদ হোসেন, মাসুদ করিম এবং মুহাম্মদ রফিকুজ্জামান। একবার করে পুরুস্কারে সম্মানীত হয়েছেন আরো অনেকে।

১৯৭৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত গীতিকবিরা পুরুস্কারে ভূষিত হয়েছে তাদের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

১৯৭৮ সালে – আমজাদ হোসেন – গোলাপী এখন ট্রেনে।
১৯৭৯ সালে – আমজাদ হোসেন – সুন্দরী।
১৯৮০ সালে – খান আতাউর রহমান – ডানপিঠে ছেলে।
১৯৮২ সালে – মাসুদ করিম – দুই পয়সার আলতা।
১৯৮৪ সালে – মুহাম্মদ রফিকুজ্জামান – চন্দ্রনাথ।
১৯৮৫ সালে – আলাউদ্দিন আলী – প্রেমিক।
১৯৮৬ সালে – মুহাম্মদ রফিকুজ্জামান – শুভদা।
১৯৮৮ সালে – মনিরুজ্জামান মনির – দুই পয়সার আলতা।
১৯৮৯ সালে – মনিরুজ্জামান মনির – চেতনা।
১৯৯০ সালে – মনিরুজ্জামান মনির – দোলনা।
১৯৯০ সালে – শহীদুল হক খাঁন – ছুটির ফান্দে।
১৯৯১ সালে – নজরুল ইসলাম বাবু – পদ্মা, মেঘনা, যমুনা।
১৯৯২ সালে – গাজী মাজহারুল আনোয়ার – টিট ফর টেট।
১৯৯৩ সালে – হাসান ফকির – চাঁদাবাজ এন্ড বাংলার বাবু।
১৯৯৪ সালে – মাসুদ করিম – হৃদয় থেকে হৃদয়।
১৯৯৬ সালে – গাজী মাজহারুল আনোয়ার – অজান্তে।
১৯৯৯ সালে – রশিদ উদ্দির আহম্মেদ – সুন্দরবনে মেঘের দিন।
২০০১ সালে – গাজী মাজহারুল আনোয়ার – চুড়িওয়ালা।
২০০২ সালে – গাজী মাজহারুল আনোয়ার – লাল দরিয়া।
২০০৩ সালে – গাজী মাজহারুল আনোয়ার – কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি।
২০০৭ সালে – মুন্সি ওয়াদুদ – সাজঘর।
২০০৮ সালে – কবির বকুল – মেঘের কুলে রোদ।
২০০৯ সালে – কবির বকুল – স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা।
২০১০ সালে – কবির বকুল – নিঃস্বাসে আমার তুমি।
২০১১ সালে – শফিক তুহিন – প্রজাপতি।
২০১২ সালে – মিল্টন খন্দকার – খোদার পরে মা।
২০১৩ সালে – কবির বকুল – পূর্ণদৈর্ঘ প্রেম কাহিনী।
২০১৪ সালে – মাসুদ প্রতিক – নেকাব্বরের মহাপ্রয়ান।
২০১৫ সালে – আমিরুল ইসলাম – বাপজানের বায়ুস্কোপ। – মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্না…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: