“শাওন গগনে ঘোর ঘনঘটা” গাইলেন মিতা হক…

রবীন্দ্র সঙ্গীতের একজন ধারক যার গানের কন্ঠ বাজে শুধু রবীঠাকুরের জন্য।
রবীন্দ্রনাথের গানের জন্যই যেনো তার সঙ্গীত জীবন নিবেদন করেছেন। তিনি হলেন রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী মিতা হক। সঙ্গীত সাধনাই যার জীবনের ব্রত। সীমাহীন চেষ্টা আর নিরলস পরিশ্রম তাকে নিয়ে এসেছে সাধনার তপস্যার সফল সিড়িঁতে। চেষ্টা ও মনের একাগ্র ইচ্ছা মানুষকে সফলতা দিতে পারে মিতা হক তার জীবন্ত প্রমান। সেই সাধনা আর সঙ্গীত প্রেমের টানে এখনো আছেন তিনি আমাদের সঙ্গীত ভূবনে।

রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রেমে শুধু নিজেকে সিক্ত করে থেমে থাকেননি তিনি। নিজেকে পাশাপাশি অনেক সঙ্গীতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের মাঝেও ছড়িয়ে দিচ্ছেন তাঁর সঙ্গীতে আহরিত জ্ঞান। শারিরীক প্রতিবন্দ্ধকতায় প্রায় দুই বছর তিনি আমাদের সঙ্গীত ভূবন থেকে দুরে ছিলেন বলে যানা যায়। কিন্তু সঙ্গীতের মনোলোভা প্রেম আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছেন তাকে। দুই বছর পর গত শুক্রবার বিকেলে খামখেয়ালী সভার ৪৩ আড্ডায় মেয়ে জয়িতার সঙ্গে যুগলবন্দিতে অংশ নিলেন। যদিও অসুস্থজনিত কারণে এতোদিন গান করতে পারেননি তিনি। রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডে কণ্ঠশীলন কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গাইলেন গুণী এই শিল্পী। তার কন্ঠে তিনি রবীন্দ্রনাথের ‘শাওন গগনে ঘোর ঘনঘটা’ গানটি পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের অনেক অভিবাদন গ্রহন করেন।

অনুষ্ঠানে ‘রবীন্দ্র উপন্যাসে নারী স্বাতন্ত্র্যের ধারণারূপ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উস্থাপন করেন। সভার উপস্থিত সদস্য হিসেবে ছিলেন এনাম-উজ-জামান বিপুল এবং প্রধান আলোচক ছিলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকরাম হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্রনাথ সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন। তাঁর লেখাকে শুধু সমাজতাত্ত্বিক কিংবা ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে বিচার করলে চলবে না, তার নান্দনিক দিকটাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। অধ্যাপক ড. শোয়াইব জিবরানের সভাপতিত্বে আড্ডা সঞ্চালনা করেন ড. মোহাম্মদ আজম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খামখেয়ালী সভার সভাপতি মাহমুদ হাশিম। এভাবেই আমাদের বাঙ্গালী কবি রবীন্দ্রনাথকে বাচিয়ে রাখবেন চিরদিন অম্লান অবিনাশী ইতিহাসে। -মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *