এ প্রজন্মের মেধাবী সঙ্গীতশিল্পী খন্দকার বাপ্পী…

বর্তমান সঙ্গীত জগতে অনেকেই হুট করে এসে আবার কোথায় যেন হারিয়ে যায়। এই হারানো নিয়ে আশ্চর্য় হওয়ারও তেমন কিছু নয়। কেননা সঙ্গীত হচ্ছে সাধনার বিষয়। সঙ্গীতকে যারা হৃদয় দিয়ে উপলদ্ধি করে ভালবেসে সাধনা করে ধীরে ধীরে নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে, তারাই এই সঙ্গীত জগতে খ্যাতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। সঙ্গীতকে নিজের মনের গহীনে লালিত করে ধীরে ধীরে নিজেকে তৈরী করেছেন বর্তমান প্রজন্মের উদীয়মান তরুন মেধাবী শিল্পী খন্দকার বাপ্পী। ১৯৮৮ সালের ৩০শে জানুয়ারী ঢাকার মোহাম্মদপুরে জন্মগ্রহন করেন তিনি। ঢাকার আলো বাতাসের সাথেই তার বেড়ে উঠা। তার পরিবারে রয়েছে মা-বাবা ও এক বোনকে নিয়ে মোট ৪ জনের এ্ক সুখী সংসার। মোহাম্মদপুরের গভমেন্ট বয়েজ স্কুল থেকে ২০০২ সালে তিনি এস. এস. সি পাশ করেন এবং ২০০৪ সালে ঢাকা কমার্স কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করে ন্যাশনাল ইউনিভারসিটি থেকে মার্কেটিং বিষয়ের উপর অনার্স সহ মাষ্টার’স পাশ করেন।

শিশু বয়স থেকেই গানের প্রতি ছিল তার অন্যরকম আকর্ষন। গানের প্রতি তার এই দুর্বলতার ফলে পরবর্তীতে ইন্দ্রিরা গান্ধী কালচার সেন্টার থেকে হিন্দুস্তানি ক্লাসিকেল গানের উপর তিনি তালিম নেন। এছাড়াও তাকে হাতে কলমে সঙ্গীত শিক্ষা দিয়েছেন ওস্তাদ সৌরভ কুমার নাহার। বর্তমান তরুন প্রজন্মের কাছে খন্দকার বাপ্পী একটি পরিচিত নাম। সঙ্গীতপ্রিয় এই শিল্পীর রয়েছে একাধিক বিষয়ে পারদর্শীতা। গানের পাশাপাশি ডিরেকশন, অভিনয় সহ টুকটাক লেখালেখিও করেন।

আসছে ঈদ উপলক্ষ্যে খন্দকার বাপ্পী তার প্রাণপ্রিয় শ্রোতা-দর্শকদেরকে ঈদ আনন্দ দিয়ে মতিয়ে রাখতে চান। আসছে ঈদ উপলক্ষ্যে মার খেয়েছি অফিসিয়াল – ২ রিলিজ হওয়ার কথা থাকলেও সম্ভবনা খুবই কম। তাই শ্রোতাদের নিরাশ না করে ঈদ উপলক্ষ্যে বেশ কিছু প্রোগ্রাম হাতে রেখেছেন। তার মধ্যে একটি বড় চমক এশিয়ান টিভির আয়োজনে ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান ‘কর্মী বনাম নেত্রী’।
সঙ্গীতাঙ্গনের প্রতিবেদকের সাথে আলাপের কিছু কথা-

সঙ্গীতাঙ্গন: কেমন আছেন ?
খন্দকার বাপ্পী: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি ।

সঙ্গীতাঙ্গন: আসছে ঈদকে কেন্দ্র করে আপনার শ্রোতা-দর্শকদের জন্য কি আয়োজন থাকছে?
খন্দকার বাপ্পী: বরাবরের মতো এবার ঈদেও বেশ কিছু প্রোগাম থাকবে। তবে ঈদে মার খেয়েছি অফিসিয়াল-২ রিলিজ দেয়ার ইচ্ছে থাকলেও সম্ভব হয়নি, তাই ঈদের পর আসছে মার খেয়েছি অফিসিয়াল-২ ।

সঙ্গীতাঙ্গন: রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র ও মঞ্চ এর মধ্যে কোনটিতে গান করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
খন্দকার বাপ্পী: মঞ্চেই গান গেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য পাই ।

সঙ্গীতাঙ্গন: আপনার কণ্ঠে গাওয়া প্রকাশিত গানের সংখ্যা মোট কয়টি ?
খন্দকার বাপ্পী: মোট গানের সংখ্যা ১৮ টি, তবে অধিকাংশ গানের গীতিকার অনুরুপ আইচ দাদা।

সঙ্গীতাঙ্গনঃ সঙ্গীতাঙ্গনের মাধ্যমে শ্রোতা-দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলবে কি?
খন্দকার বাপ্পী: সঙ্গীতাঙ্গনের মাধ্যমে সকল শ্রোতা-দর্শকদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, গান আত্মার খোড়াক, গান মানুষকে বাঁচতে শেখায়, নিজেকে চিনতে শেখায়, মূল্যবোধ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। তাই অবসরে বেশি বেশি গান শুনুন, গানকে ভালোবাসুন। বেশি বেশি গান শুনলে বা গানকে ভালোবাসলে শিল্পীরাও তাদের শ্রমকে স্বার্থক মনে করে। আর আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আপনাদের চাহিদা মতো গান উপহার দিতে পারি। আপনাকে ধন্যবাদ সাথে সঙ্গীতাঙ্গন পরিবারের সকলের প্রতি রইল ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। – রবিউল আউয়াল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: