Press "Enter" to skip to content

রুনা লায়লা এবং জানে আলম এর ইউ এস এ ট্যুর…

” হৃদয় ভরেছি সুরে
দিয়ে যাবো উজাড় করে;
এ গান মিশে রবে
তোমাদের অন্তরে,
ভালবাসা দিয়ে লালিত
করেছি তারে।”

আমাদের দেশীয় সঙ্গীতের দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা, সু’মুধুর কন্ঠশিল্পী ‘রুনা লায়লা’ ও নিজস্ব ধারার পপ ও ফোক ফিউশন খ্যাত জানে আলম। রুনা লায়লা মিষ্টি সুরে গানে গানে ৫০ বছর ধরে এদেশের মানুষকে মুগ্ধ করে রেখেছেন। তিনি বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাকিস্তানি সহ দেশের সব ধরনের গান পরিবেশন করেছেন। এবং স্বাধীনতা পদক সহ ছয়বার পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এবং পেয়েছেন দেশ বিদেশের অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড।
অন্যদিকে দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে সুর ও সঙ্গীতে নিজেকে বিলীন করে এদেশের মানুষকে অনেক মন মুগ্ধকর গান উপহার দিয়েছেন, ‘জানে আলম’। জানে আলম একাধারে শিল্পী, সুরকার , গীতিকার, ওনার কথা ও সুরে গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এদেশের অনেক শিল্পী। এবং তিনি নিজেও উপহার দিয়েছেন অনেক অনেক জনপ্রিয় গান। জানে আলম এখনো দেশের সেই শিল্পী যে প্রতিদিন সঙ্গীত সাধনা করেন নিয়মিত। তিনি পপ মর্ডান গানের মাধ্যমে জীবন শুরু করলেও দেহতত্ব ও মাইজ ভাণ্ডারী সহ বিভিন্ন ধাঁচের গান করেছেন। এবং তিনি দেশ বিদেশে গান গেয়ে পেয়েছেন অসংখ্য সন্মানী পুরস্কার।

রুনা লায়লা ও জানে আলম এবার একসাথে আমেরিকায় যাচ্ছেন সঙ্গীত পরিবেশন করতে। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন কর্তৃক এ মাসেই তারা যাচ্ছেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। বেশ কয়েকটি শো করবেন বলে জানিয়েছেন এই প্রিয় দুই শিল্পী। রুনা লায়লার শো হবে তিনটি এবং জানে আলম এর শো হবে বেশ কয়েকটি; নিউইয়র্ক এ ২টি, লস এঞ্জেল এ ২টি, ওয়াশিংটন ডিসি -তে ২টি , সহ আরো কয়েকটিতে শো করবেন তিনি। জানে আলম সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রবাসীদের আনন্দ দেবার চেষ্টা করেন সব সময়।
গত আগস্ট এ বাংলাদেশ মালয়েশিয়ান এসোসিয়েশন আয়োজিত, মালয়েশিয়ার চায়না টাউন স্টেডিয়াম এ সঙ্গীত পরিবেশন করে গেলেন, জানে আলম। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফোক কন্যা মমতাজ। মমতাজ গেয়েছেন ১৪/১৫ টি গান এবং জানে আলম গেয়েছেন ১১টি। মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের সুরের তাকে আনন্দিত করলেন তারা। জানে আলম এবং রুনা লায়লার এ সঙ্গীত সফর সফল হোক এই প্রতাশা আমাদের।
অলংকরন – মাসরিফ হক…

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: