এক নির্ঝর এর সঙ্গীত সন্ধ্যা…

গত ৩রা নভেম্বর রাজধানী ঢাকার শাহাবাগ সংলগ্ন বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে “এক নির্জর ” শিরোনামের এক সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। উক্ত আয়োজনে গান পরিবেশন করেন শিল্পী মুন, সভ্যতা, লিমন এবং অতিথী শিল্পী ফাহমিদা নবী। এসময় শিল্পীরাই গানের সাথে মিউজিকে ছিলেন। গিটারে মুন,সভ্যতা,লিমন। বেজ গিটারে অর্ক। কাহন এ মেহেদী হাসান।

তাদের গাওয়া গানের তালিকাঃ
১। আচমকা জিঙ্গাসা
২। আমি
৩। স্বপ্নের ঘরে
৪। হয় কিংবা না হয়
৫। আয় আয় চাদঁ মামা
৬। বারান্দা উড়ে গেল
৭। মুছে যাচ্ছে দাগ
৮। থেকে যায় ধূলোবালি
৯। নিশ্বাঃসের নামতা পড়ে
১০। জিতু সুরেশ্বরী
১১। একশো বস্তা
১২। কোথাকার ধূলো এসে
১৩। সবটুকু নিয়ে যেওনা
১৪। লোকুচুড়ি গল্প, ইত্যাদি।

সমসাময়িক ভাবে এক নির্ঝর এর গান এর রীতি প্রবর্তন করেন গীতিকবি ও ভোকালিষ্ট এনামুল করিম নির্ঝর।
এই গানগুলো আমাদেরকে জানান দেয় সময়কে সৎ ভাবে ব্যবহার করা, জীবনই সম্পদ এর চেয়ে বড় সম্পদ আর নেই। মানুষের সুখ- দুঃখ, জীবনের অগনিত আবেগ ও অনুভুতি, শান্তনা, আশা- হতাশা, স্বপ্ন ছন্দের আনন্দ সব কিছুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় তার গানে। এক নির্ঝর এর প্রথম কাজ এক নির্ঝরের গান। যাতে ছিল একশত একটি গান এবং ৪৩ জন গায়ক ৯ জন ডিজাইনার। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন তিনজন শিল্পী। তারা হলেন অটামুনাল মুন, রিয়াজুল করিম লিমন ও কারিসমা শানু সভ্যতা। সমসাময়িক অতিথী শিল্পী হিসেবে যোগ দেন ফাহমিদা নবী। এক নির্ঝর একজন গুণী মেধাবী নির্মাতা ও চলচ্চিত্রকার হিসেবে সুপরিচিত। তিনি তার নিজের চিন্তা চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে দেশে বিভিন্ন প্রকল্প চালু করছে। তিনি ২০০৭ সালে জে কে সিমেন্ট এর স্থাপত্য পুরুষ্কারে ভূষিত হন। এবং ২০১৩ বার্গার পুষ্কার পান। এর আগে ২০০৭ সালে “আহা” চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুষ্কার অর্জন করেন। গানশালা নামে এক মিউজিকের প্রবর্তন করেন তিনি। বাস্তবিক অর্থে তিনি একজন গানের মানুষ। সঙ্গীত নিয়ে তার চিন্তার অন্ত নেই। তার চিন্তার অভাবনিয় সাফল্য বয়ে আনুক বাংলার সঙ্গীতের উজ্জল ধারা। – মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: