Press "Enter" to skip to content

রবীন্দ্র জয়ন্তীতে সম্মাননা পেলেন কামাল আহমেদ…

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ বেতারের বহির্বিশ্ব কার্যক্রমের পরিচালক কামাল আহমেদ ‘রাজশাহী বেতার শিল্পী সংস্থা সম্মাননা’ লাভ করেছেন। গত ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ রবীন্দ্র জয়ন্তীতে রাজশাহী নগরীর নানকিং দরবার হলে তিনি এ সম্মাননা গ্রহন করেন। এ সময় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. আনন্দ কুমার সাহা। শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন রাজশাহী বেতার শিল্পী সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক ও একুশে পদক প্রাপ্ত পন্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত নৃত্যগুরু বজলুর রহমান বাদল, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপিকা জিনাতুন নেছা তালুকদারসহ অনেকে।

সম্মাননা সনদ ও স্মারক গ্রহনের পর ‘আমি চঞ্চল হে আমি সুদূরের পিয়াসী’ শিরোনামে শিল্পীর কন্ঠে একক সঙ্গীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। হলভর্তি দর্শকদের পিনপতন নীরবতায় শিল্পী একে একে ১২টি গান গেয়ে শোনান। শিল্পী পরিবেশিত উল্লেখযোগ্য গান ছিলো – হে নূতন দেখা দিক আরবার, আসা যাওয়ার পথের ধারে, আমি তোমার সঙ্গে বেধেঁছি আমার প্রাণ, আমার পরান যাহা চায়, মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে চলে, ভরা থাক স্মৃতিসুধায়, আকাশ ভরা সূর্যতারা ও আমি চঞ্চল হে আমি সুদূরের পিয়াসী। এর মধ্যে অনুরোধের গান ছিলো বেহাগ রাগে নিবদ্ধ ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’। শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় কামাল আহমেদ পরিবেশিত গানগুলো শুনতে থাকেন। রবীন্দ্র সঙ্গীতের সুর, তাল ও লয়ে শিল্পী সৃষ্টি করেন ভিন্ন এক আবহ। নিবিড় সন্ধ্যায় মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠে শিল্পীর একের পর এক পরিবেশনা। মুগ্ধ হয়ে পড়েন শ্রোতা ও দর্শকরা।

বাংলাদেশ বেতারের বহির্বিশ্ব কার্যক্রমের পরিচালক কামাল আহমেদ ইতিমধ্যে সঙ্গীতাঙ্গনে তার মেধা ও চর্চার প্রভাব রেখে চলেছেন। তিনি শুদ্ধ রবীন্দ্র সঙ্গীত চর্চার অগ্রপথিক। রবীন্দ্র সঙ্গীতকে তিনি মিলিয়েছেন তার যাপিত জীবনের সাথে। তাইতো রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন দৃপ্তপদে। দেশ ছাড়িয়ে দেশের বাইরেও তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন তার শিল্পী সত্তার দ্যুতি। গত ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি কানাডায় ‘বাংলাদেশী এসোসিয়েশন ইন নর্থ আমেরিকা’ অর্থাৎ ফোবানা সম্মেলনে ফোবানা পদক লাভ করেন। কামাল আহমেদই বেতার পরিবারের প্রথম সদস্য যিনি সর্বপ্রথম ফোবানা পদক অর্জন করেন। আমরা তার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল করি। – মোশারফ হোসেন

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: