Press "Enter" to skip to content

ফিরোজা বেগম এর আজ ৯২তম জন্মদিন…

ফিরোজা বেগমের জন্ম ১৯৩০ সালের ২৮ জুলাই ফরিদপুরের গোপালগঞ্জ মহকুমার বর্তমান জেলা রাতইল ঘোনাপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে। তাঁর বাবার নাম খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইল এবং মায়ের নাম বেগম কওকাবুন্নেসা। শৈশবেই তাঁর সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগ জন্মে। ১৯৫৪ সাল থেকে কলকাতায় বসবাস করতে শুরু করেন। ১৯৫৫ সালে সুরকার, গায়ক ও গীতিকার কমল দাশগুপ্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ১৯৬৭ সালে ঢাকায় ফিরে আসেন। কমল দাশগুপ্ত ২০ জুলাই, ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এ দম্পতির তিন সন্তান – তাহসিন, হামীন ও শাফীন রয়েছে। হামিন ও শাফিন – উভয়েই রকব্যান্ড দল মাইলসের সদস্য।

ফিরোজা বেগম ছিলেন এ উপমহাদেশের একজন বরেণ্য ও কিংবদন্তি নজরুল সঙ্গীতশিল্পী। আগামীকাল ২৮ জুলাই তার ৯২তম জন্মদিন। ফিরোজা বেগম আজ আর নেই। ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান। তবে তাঁর সুরের জাদু আর অনন্য গায়কী প্রতিভা তাকে করেছে অম্লান ও চির ভাস্বর। কাজী নজরুল ইসলামের গানকে ‘নজরুলসঙ্গীত’ হিসেবে পরিচিত করার পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন ফিরোজা বেগম। নজরুলসঙ্গীতকে মানুষের মনের আঙিনায় পৌঁছে দিতে ফিরোজা বেগম আজীবন সাধনা করে গেছেন। প্রয়াত ফিরোজা বেগম আর তার সঙ্গীতকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবর্তন করা হয় ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক ও পুরস্কার’। প্রতিবছর দেশের একজন বরেণ্য ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারীকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

সাবিনা ইয়াসমিন (২০১৬) ও রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার (২০১৭) এর পর এবার ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন রুনা লায়লা। আগামী সোমবার বেলা তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই সঙ্গীতশিল্পীর হাতে সম্মাননা তুলে দেবেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান।
জানা গেছে, সম্মাননা হিসেবে রুনা লায়লাকে দেওয়া হবে দুই ভরি সোনার একটি পদক এবং এক লাখ টাকা। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের বিএ সম্মান পরীক্ষায় এবার সর্বোচ্চ সিজিএ পাওয়া শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই স্বর্ণপদক দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে রুনা লায়লা গণমাধ্যমকে বলেন, ফিরোজা বেগমের মতো একজন বরেণ্য সঙ্গীতব্যক্তিত্বের স্মৃতিজড়িত পদকের জন্য আমাকে মনোনীত করা হয়েছে, এর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। বরেন্য এই গুণী শিল্পীর জন্য সঙ্গীতাঙ্গনের পক্ষ থেকে রইলো দোয়া ও শ্রদ্ধা। – মোশারফ হোসেন মুন্না

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: