রবীন্দ্র-নজরুলের রাগাশ্রয়ী গান নিয়ে ছায়ানটে কামাল আহমেদ ও আফসানা রুনা-র সঙ্গীত সন্ধ্যা…

গানে গানে ভরে নিতে প্রাণ, শুনে রবীন্দ্র-নজরুলের শ্রুতিমধুর গান। গান জীবনের কথা বলে, হৃদয়ের এবং ভালবাসার কথা বলে। গান মানুষের মনকে সতেজ করে। আপনি ও আপনার প্রিয়জনকে নিয়ে গানে গানে মনকে সতেজ করতে রবীন্দ্র-নজরুলের রাগাশ্রয়ী গান নিয়ে আয়োজিত ‘রাগে যুগলবন্দি’ তে।

আসছে আগামী ১০ই আগস্ট, রোজ- শুক্রবার, সন্ধ্যা ৬টায় ধানমন্ডিস্থ ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন প্রধান মিলনায়তনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাগভিত্তিক গান নিয়ে ‘রাগে যুগলবন্ধি’ শিরোনামে একটি সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজিত ‘রাগে যুগলবন্ধি’ অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী, খ্যাতিমান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কামাল আহমেদ এবং বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী ও প্রশিক্ষক আফসানা রুনা।

অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য পরিবেশনার মধ্যে থাকবে ইমনকল্যাণ রাগে ‘এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও প্রদীপখানি'(রবীন্দ্রসঙ্গীত) ‘বসিয়া বিজনে কেন একা মনে'(নজরুল সঙ্গীত), মল্লার রাগে ‘আজি ঝড়ের রাতে'(রবীন্দ্রসঙ্গীত) ‘বরষা ঐ এলো বরষা'(নজরুল সঙ্গীত), বেহাগ রাগে ‘আজি বিজন ঘরে নিশীত রাতে'(রবীন্দ্রসঙ্গীত) ‘নিশি নিঝুম ঘুম নাহি আসে'(নজরুল সঙ্গীত), ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়'(রবীন্দ্রসঙ্গীত), ‘কেন দিলে এ কাঁটা যদি কুসুম’ (নজরুল সঙ্গীত) এবং পিলু রাগে ‘ছায়া ঘনাইছে বনে বনে’ (রবীন্দ্রসঙ্গীত) ‘সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি'(নজরুল সঙ্গীত) ‘আমার পরান যাহা চায়'(রবীন্দ্রসঙ্গীত)।

সঙ্গীত শিল্পী কামাল আহমেদের বড় পরিচয় তিনি একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশ বেতারের বহির্বিশ্ব কার্যক্রমের পরিচালক পদে কর্মরত রয়েছেন। সরকারী চাকুরীকে ছাপিয়ে তিনি সঙ্গীতে হয়েছেন ঋদ্ধ। সঙ্গীতের সব শাখাতেই তার বিচরণ রয়েছে। রয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি এবং স্বীকৃতি। কামাল আহমেদ ২০১৭ সালে ভারতের মহারাজা বীরবিক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গৌতম কুমার বসু’র হাত থেকে ‘অদ্বৈত মল্লবর্মণ পদক’ ও ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের উপস্থিতিতে ‘বীর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পদক’ প্রাপ্ত হন। এছাড়াও তিনি ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধু গবেষণা ফাউন্ডেশন এ্যাওয়ার্ড এবং ২০১০ সালে সার্ক ক্যালচারাল সোসাইটি এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। সর্বশেষ তিনি ২০১৭ সালে কানাডায় ৩১তম ফোবানা (ফেডারেশন অব বাংলাদেশী এসোসিয়েশন ইন নর্থ আমেরিকা) সম্মেলনে বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে বেতার সম্প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ফোবানা পদক প্রাপ্তির বিরল সম্মান অর্জন করেন। উল্লেখ্য এ পর্যন্ত শিল্পীর ১৫টি এ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে।

শিল্পী আফসানা রুনা ছায়ানট ও নজরুল ইনস্টিটিউটের সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সারাদেশে সংগীতের প্রশিক্ষক হিসেবেও তার প্রতিভাকে বিস্তৃত করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও মঞ্চেও রয়েছে তার সরব উপস্থিতি। – রবিউল আউয়াল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: