গানের প্রতিযোগিতায় বিচারক হৃদয় খান…

হৃদয় খান ১৯৯০ সালের ১৮ জানুয়ারি ঢাকায় তার জন্ম। পরিবারে দুই ভাই ও এক বোনের মাঝে হৃদয় বড়। ছোট ভাই প্রত্য়য় খান একজন গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক। ছোট বোন রাইজা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। মা শেফালী খান ও তার বাবা রিপন খান, যিনি বাংলাদেশের “জিঙ্গেল কিং” নামে পরিচিত। তার দাদা মইনুল ইসলাম খান একজন সঙ্গীতশিল্পী এবং সঙ্গীত প্রশিক্ষক ছিলেন। সেই সুত্রে হৃদয় খান জন্মগত ভাবেই সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে স্টেজ শো, কনসার্ট ও নিজের গান নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময়ই পার করছেন হালের সেনসেশন শিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক হৃদয় খান। এর আগে উন্নয়ন কনসার্ট নিয়ে বেশ ব্যস্ততা পার করেছেন তিনি। সর্বশেষ তিনি গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভোলার একটি কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও দেশের বাইরে স্টেজ শো নিয়ে নিয়মিতই ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় তাকে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিতব্য একটি রিয়েলিটি শোয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন হৃদয় খান। ‘সানসিল্ক ডিভাস’ শিরোনামে এ সঙ্গীত প্রতিযোগিতার ঘোষণা এরইমধ্যে দেয়া হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় চারজন সেরা নারী শিল্পী বাছাই করে তৈরি করা হবে ‘অল গার্ল ব্যান্ড’। সেখানে বিচারক হিসেবে হৃদয় খানের পাশাপাশি থাকছেন চিরকুট ব্যান্ডের দলনেতা ও ভোকাল শারমিন সুলতানা সুমী, আলিফ আলাউদ্দিন এবং নেমেসিস ব্যান্ডের ভোকাল জোহাদ। হৃদয় খান বলেন, অনেক ভালো একটি সঙ্গীত রিয়েলিটি শো শুরু হতে যাচ্ছে। দেশের আনাচে কানাচে অনেক শিল্পীই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। তাদের মধ্য থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিল্পীদের মধ্য থেকে বাছাই প্রক্রিয়া চলবে। এমন একটি প্রতিযোগিতার বিচারকের আসনে থাকতে পেরে ভালো লাগছে। আমার বিশ্বাস এটি খুব ভালো একটি কাজ হতে চলেছে।
বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন কিছু গানের কাজ নিয়ে এখন একটু ব্যস্ততা যাচ্ছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা চলচ্চিত্রের জন্য কাজ করেছি। এর পাশাপাশি জিঙ্গেলের ব্যস্ততা তো রয়েছেই। তাছাড়া এখনের সময়টা সিঙ্গেল গানের যুগ। সময়ের সাথে তাল মিলিয়েই কাজ করতে হয়। সেগুলো নিয়েই মূলত কাজ করছি এখন। হৃদয় খানের গান গাওয়া কিংবা কম্পোজিশনের শুরু কিশোর বয়সে। তার দাদা ছিলেন গানের ওস্তাদ। বসার ঘরে ছেলেমেয়েদের তিনি নিয়মিত গান শেখাতেন। সেই পথ ধরে বাবা হৃদয় খানও হলেন নামকরা সঙ্গীতশিল্পী। লিটল জুয়েলস স্কুলেই তার পড়াশোনার হাতেখড়ি। ২০০৮ সালে লেজার ভিশন থেকে ‘হৃদয় মিক্স’ বাজারে আসে। সেই এ্যালবামের কয়েকটি গান তাকে দ্রুত জনপ্রিয় বানিয়ে দেয়। এর পরে তার আরও কয়েকটি এ্যালবাম বের হয়। আজ তিনি একজন জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে পরিচিত। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই হৃদয় খানকে। – মরিয়ম ইয়াসমিন মৌমিতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: