Press "Enter" to skip to content

জি-সিরিজ মিউজিক কোম্পানি…

বিনোদনের প্রথম মাধ্যেম হলো মিউজিক কোম্পানি। যাদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে সারা দেশে বিনোদনের বার্তা। তাদের মধ্যে একটি হলো জি- সিরিজ। আজ তার কিছু কথা জানাবো সবাইকে।
জি সিরিজ মিউজিক কোম্পানী ১৯৯২ সাল থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এখান থেকে সঙ্গীত শিল্পী, আবৃত্তি শিল্পী, সিনেমার গান, নাটক এবং পুরো সিনেমার অডিও ভিডিও ক্যাসেট, সিডি এবং ডিভিডি প্রকাশ হয়ে আসছে।
এলিফ্যান্ট, নীলক্ষেত এবং বসুন্ধরা শপিং মলে নিজস্ব তিনটি শোরুম রয়েছে। এলিফ্যান্ট রোড বাসস্ট্যান্ড থেকে সোজা দক্ষিণে ১৫০ গজ বাম পাশের ল্যাবরেটরি রোডে ১২০ গজ দূরেই ৮২ নম্বর ভবনে জি সিরিজের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। এছাড়াও জি সিরিজ এর দু’টি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হলো- অগ্নিবীনা এবং গীতাঞ্জলী।
জি সিরিজের শো-রুমগুলো সাধারণত গীতাঞ্জলী শিরোনামে হয়ে থাকে। জি সিরিজের মোট ৩টি শো-রুম আছে। তার একটি হলো ৭৩ নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১ রাফিল প্লাজা, আরেকটি নিলক্ষেত, ঢাকা। দোকান# ৫,৬,৭, ব্লক# ডি, লেভেল# ৬, এবং বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, পান্থপথ, ঢাকা।
এই প্রতিষ্ঠানটি ক্যাসেট, সিডি, ডিভিডি প্রকাশনা, গান, নাটক, সিনেমা, সুর করা, মিউজিক, মিউজিক রেকডিং এবং ভিডিও- এর কাজ করে থাকে। ক্যাসেট, সিডি ও ডিভিডি করার ক্ষেত্রে শিল্পীদের এককালীন পে-মেন্ট বা রয়্যালিটি সিষ্টেমে পরিশোধ করে থাকে।
এ্যালবাম তৈরীর সময় গান লেখা, সুর করা, রেকর্ডিং এবং ভিডিও তৈরীর এ্যালবামের প্রযোজক বহন করে থাকে।
এ্যালবামের মেকিং কোয়ালিটি দেখার পর বা শোনার পর প্রকাশের ব্যবস্থা করে থাকে এই প্রতিষ্ঠানটি। এ্যালবাম রিলিজের আগে প্রযোজকের পক্ষ থেকে শিল্পীর সাথে এককালীন চুক্তি করা হয়। এ্যালবাম রিলিজের পর জনপ্রিয়তা লাভ করলে শিল্পীকে কপিপ্রতি লাভ প্রদান করা হয়। নাটকের সিডি/ ডিভিডি-তে একক নাটক ও ধারাবাহিক নাটক দেখার পর পছন্দ হলে প্রকাশ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের পছন্দ হলে প্রথমে সিনেমার গান ও পরে প্রযোজকের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্পূর্ণ সিনেমা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
নতুন শিল্পীদের গানের সিডি প্রকাশের ক্ষেত্রে শিল্পীর গান শুনার পর পছন্দ হলে শিল্পীর সাথে এককালীন বা এ্যালবামের কপির সংখ্যার উপর ভিত্তি করে চুক্তি করা হয়।
কোম্পানীর শর্ত সাপেক্ষে অডিও, ভিডিও ও গান শিল্পী নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মোবাইল, টিভি বা এফএম রেডিওতে দিতে পারে।
প্রযোজককে গানের কথা, রেকর্ড এবং মিউজিক ভিডিও এর খরচ এককালীন পরিশোধ করতে হয়।। এ্যালবামের জন্য অগ্রিম বুকিং দেওয়া যায়। কমপক্ষে ৩ দিন পূর্বে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করে এ্যালবামের অর্ডার দিতে হয়।
ঢাকার মধ্যে ৩ দিনের মধ্যে সরবরাহ করা হয়। নির্মানের জন্য বুকিং হলে ২-৫ মাস পূর্বে দিতে হয়।
পোষ্টার এর জন্য শিল্পীর ফটোসেশনের ব্যবস্থা করে কোম্পানী। ফটোসেশনের উচ্চতা বা পরিমাপ অনুযায়ী শিল্পীকে খরচ দিতে হয়।
পোষ্টার ১৪×২৩= ১০০০ পিসের খরচ- ৯,২০০ টাকা। ইপি- ১০০০ পিসের খরচ- ৩,৮০০ টাকা।
সব শো-রুম থেকে খুচরা মূল্যে এ্যালবামের ক্যাসেট, সিডি এবং ডিভিডি কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। কমপক্ষে ১০ ক্যাসেট, সিডি বা ডিভিডি কিনলে পাইকারী দাম রাখা হয়।
কাগজের প্রতি পিস সিডি এবং ডিভিডি কভারে খরচ হয় ৩.৫০ টাকা এবং প্লাষ্টিক কভারে খরচ হয় ৫ টাকা ৫০ পয়সা।
সিলভার ডিস্কের প্রতি পিসের পাইকারী মূল্য ৩৮ টাকা থেকে ৪২ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৬০ টাকা থেকে ৭০। সিডি মার্কেট ১২ টা গানের মিউজিক ভিডিও মার্কেটিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন বানানোর খরচ ১ পিসের জন্য ১০ টাকা খরচ হয়।
অগ্রিম বুকিং দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
কমপক্ষে ১.৫ মাস আগে বুকিং দিতে হয়।
পোষ্টার ছাড়া পত্রিকা, টিভি, এবং বিল বোর্ডে প্রচারণার দায়িত্ব শিল্পীর।
এই ধরনের সেবা নিয়ে জি- সিরিজ তার আপন গতিতে চলছে। সঙ্গীতাঙ্গনের পক্ষ থেকে জি-সিরিজের জন্য শুভ কামনা। – নিরব হাসান

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *