Press "Enter" to skip to content

আজ সঙ্গীতশিল্পী ফাহমিদা নবী-র শুভ জন্মদিন…

“লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প
তারপর হাতছানি অল্প
চায় চায় উড়তে উড়তে
মন চায় উড়তে উড়তে।”

– এমন অসংখ্য মধুর গানের মিষ্টি কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবী। শৈশব থেকেই রক্তবিন্দুতে সুরের স্রোত। গানেই তার প্রাণ নিবেদিত। আজ এই সুরের পাখীর শুভ জন্মদিন। ১৯৬৬ সালে ৪ই জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৯ সালে তার সঙ্গীত জীবন শুরু হয় যা তিন দশক ধরে চলছে। তিনি সাধারনত ক্লাসিকাল এবং আধুনিক বাংলা গান গেয়ে থাকেন এছাড়াও রবীন্দ্র সঙ্গীত এবং নজরুল সঙ্গীত গানও গেয়ে থাকেন। তিনি এন টিভির ক্লোজআপ-১ প্রোগ্রাম এর অন্যতম বিচারক। তিনি ২০০৭ সাল থেকে ‘কারিগরি’ নামের একটা সুরের প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছু এ্যালবাম ‘মনে কি পরে না’, ‘আমার বেলা যে যায়’, ‘স্বপ্ন গল্প’, ‘তবু বৃষ্টি চাই’, ‘দুপুরের একলা পাখি’, ‘এক মুঠো গান-১’, ‘এক মুঠো গান-২’। তাঁর কিছু বিখ্যাত গান ‘লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প’, ‘তুমি কি বলো আসবে’, ‘চারটি দেয়াল হঠাৎ খেয়াল’, ‘মন খারাপের একেকটা দিন’, ‘মনটা যদি হতো তোমার আবেগী এক নদী’, ‘যায় কি ছিড়া বুকের পাজর’, ‘ইচ্ছেরই আকাশে মেঘলা দিন’, ‘আমি আকাশ হব’, ‘হাতে দিও রাখি’ এবং বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ‘পলাশ ঢাকা কোকিল ডাকা’ সহ অসংখ্য গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন।
ফাহমিদা নবী সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন ‘আমি পাল্টে যাইনি’ শিরোনামে নতুন একক এ্যালবামের মাধ্যমে। এছাড়াও তিনি নতুন নতুন সুর করছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের জন্য যা কিছু প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক কাজেও তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যারিটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করে থাকেন। তিনি এসিড সহিংসতা, ওষুধের অপব্যবহার, এবং যেই মেয়েরা সহিংসতার দ্বারা আক্রান্ত তাদের সঙ্গীতের মাধ্যমে সহায়তা দেয়া, আশা এবং সাহস প্রদান এবং মানবাধিকার দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সবাইকে আহবান করেন। তিনি শ্রোতাদের ভালবাসা সহ পেয়েছেন অসংখ্য সম্মানী পুরস্কার ও জাতীয় পুরস্কার।
ফাহমিদা নবীর জন্মদিনে সঙ্গীতাঙ্গন এর পক্ষ থেকে রইলো শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *