Press "Enter" to skip to content

‘মায়ের নেই কোনো বিকল্প’ গানে একসাথে সাত শিল্পী…

মোশারফ হোসেন মুন্না।
মা হচ্ছেন একজন পূর্ণাঙ্গ নারী, যিনি গর্ভধারণ সন্তানের জন্ম তথা সন্তানকে বড় করে তোলেন – তিনিই অভিভাবকের ভূমিকা পালনে সক্ষম ও মা হিসেবে সর্বত্র পরিচিত। একজন নারী বা মহিলাই সন্তানকে জন্ম দেয়ার অধিকারীনি। গর্ভধারণের ন্যায় জটিল এবং মায়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় অবস্থানে থেকে এ সংজ্ঞাটি বিশ্বজনীন গৃহীত হয়েছে। মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে “মা দিবস” হিসাবে উদযাপনের ঘোষণা দেয়া হয় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেসে। আর তখন থেকেই এই দিনে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে মা দিবস। বিশ্বের প্রায় ৪৬টি দেশে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয় হয়। কথিত আছে, ব্রিটেনেই প্রথম শুরু হয় মা দিবস পালনের রেওয়াজ, কেননা সেখানে প্রতিবছর মে মাসের চতুর্থ রোববারকে মাদারিং সানডে হিসাবে পালন করা হতো। তবে সতের শতকে মা দিবস উদযাপনের সূত্রপাত ঘটান মার্কিন সমাজকর্মী জুলিয়া ওয়ার্টস। মায়ের সঙ্গে সময় দেয়া আর মায়ের জন্য উপহার কেনা ছিল তাঁর দিনটির কর্মসূচিতে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে প্রথম মা দিবস পালন করা হয় ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ২ জুন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উহলসন সর্বপ্রথম মা দিবসকে সরকারি ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করেন। মা দিবসের উপহার সাদা কার্নেশন ফুল খুব জনপ্রিয়। আর বাণিজ্যিকভাবে, “মা দিবস” বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কার্ড আদান-প্রদানকারী দিবস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে “মা দিবস”-এ অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি ফোন করা হয়।

এই মাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে কত শত কবিতা আর দরদ মাখা গান। যা মানুষের মনে দাগ কেটে যায়। মাগো মা ওগো মা, আমারে বানাইলি তুই দিওয়ানা, মায়ের একধার দুধের দাম কাটিয়া গায়ের চাম, এমন একটা মা দে না, রাতের তারা আমায় কি তুই বলতে পারিস, ওই আকাশের তারায় তারায়, ছেলে আমার মস্ত বড় মস্ত অফিসার, পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব মাগো, পৃথিবীর একপাশে মাকে রেখে অন্য পাশেও মাকে রাখি। এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে সাত শিল্পী গাইলেন মায়ের গান। তবে কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই গেয়েছেন তারা গানটি।
মা দিবস নিয়ে লেখা গান ‘মায়ের নেই কোনো বিকল্প’। গানটিতে কণ্ঠ দিলেন এই সময়ের সাত সঙ্গীতশিল্পী – এলিটা, কনা, ইমরান, কোনাল, কর্নিয়া, মুন ও জুয়েল মোর্শেদ। গানটির সঙ্গে জড়িত কেউই নেননি কোনো পারিশ্রমিক।
পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদের লেখা গানটির সুর ও সঙ্গীত করেছেন অটমনাল মুন। গত কিছুদিন আগে নিকেতনের একটি স্টুডিওতে রেকর্ডিং শেষ হয় গানটির। এবং সেই স্টুডিওতে চন্দন রায় চৌধুরীর পরিচালনায় গানটির ভিডিও নির্মিত হয়। গানটির ভিডিওতে মডেল হয়েছেন অভিনেত্রী দীপা খন্দকার ও নমরিতা। গানটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশন ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে ভিডিওটি। আশা করি সবার ভালো লাগবে এই যুগের শিল্পীদের মাকে নিয়ে গাওয়া গানটি। মা! সবার জীবনে বেচেঁ থাকুক অনেক দিন। মায়ের স্নেহের পরশে ম্লান হয়ে যাক সবার মন। সেই শুভ কামনায় সঙ্গীতাঙ্গন।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *