Press "Enter" to skip to content

৪৫ জন লিজেন্ডারদের নিয়ে ধারাবাহিক অনুষ্ঠান…

– মোশারফ হোসেন মুন্না।

তোমাদের স্মরণে আজকে
দেখো কত কন্ঠে গায় গান
জুড়িয়ে আসে মনপ্রাণ – ২

কত গান কত সুর রেখে গেলে
এখনো সেই গান কথা বলে। – ২
থামেনি থামবেনা কোন দিন সুর
স্মৃতিতে হবে অম্লান।।।দেখো কত কন্ঠে গায় গান
জুড়িয়ে আসে মনপ্রাণ। – ২

প্রভুর ডাকে তোমরা সারা দিয়ে
না ফেরার দেশে হারালে, – ২
তোমাদের কথা ভুলা যাবেনা
সঙ্গীতে রবে আজীবন
দেখো কত কন্ঠে গায় গান
জুড়িয়ে আসে মনপ্রাণ। – ২

স্মরণ করছি তাদের যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর স্বার্থহীন ত্যাগের কারণে বাংলা সঙ্গীত পেলো তার নিজের ঠিকানা। বিশ্ব দরবারে পেলো বাংলা গানের পরিচিতি। যাদের হাত ধরে এতো দূর চলে আসছে সঙ্গীত ভূবনটি। সেই কিংবদন্তি তারকাদের। তাদের স্মৃতির স্মরণে ৪৫ জন লিজেন্ডারদের নিয়ে শিল্পকলা একাডেমীতে শুরু হয়েছে ধারাবাহিক কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের স্মরণ অনুষ্ঠান ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’। দেশের স্বনামধন্য কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের স্মরণ করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বাংলাদশে শিল্পকলা একাডেমির বিভিন্ন বিভাগ আয়োজন করছে ৪৫জন বিশিষ্ট ব্যক্তির স্মরণ অনুষ্ঠান। ২৪ জুন সন্ধ্যা ৬টায় একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষৎ’ র্শীষক স্মরণানুষ্ঠান ২০১৯ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। ২৫ জুন থেকে ২ জুলাই
পর্যন্ত জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে পর্যাক্রমে শিল্পীদের স্মরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

গত শুক্রবার ২৮ তারিখ সেই অনুষ্টানের সূচনা হয়েছে অজিত রায় ও আলতাফ মাহমুদকে দিয়ে। দুই প্রিয় তারকাদের স্মরণে অনুষ্টানে গান পরিবেশন করেছেন। অজিত রায় ও শহিদ আলতাফ মাহমুদকে নিয়ে গান পরিবেশন করেন আমাদের প্রিয় শিল্পী লীনু বিল্লাহ, মৌটুসি, বুলবুল মহানোবিশ। প্রেয়সি রায় অজিৎ রায়ের মেয়ে, তিনি গেয়েছেন তার বাবার গান। খুব ভালো গান করেন প্রেয়সি রায়। তারপর লীনু বিল্লাহ দুটি গান করেন। ‘কালো রুপ কত অপরুপ’ ও ‘হায়রে পিতলের কলসি তোরে লইয়া যামু যমুনায়’ শিরোনামে। তিরি বলেন আমি ধন্যবাদ জানাই যারা যারা অনুষ্ঠানটির পিছনে সময় দিচ্ছেন যাদের পরিশ্রম ও ভালোবাসায় অনুষ্টানটি হচ্ছে। সচিন দেব বর্মণ হতে শুরু করে ৪৫ জন লিজেন্ডারদের নিয়ে এই ধরণের ধারাবাহিক অনুষ্টান সত্যিই খুব ভালো একটি উদ্যোগ। একদিকে তরুণ প্রজন্ম তাদেরকে চিনবে আরেক দিকে জানতে পারবে তাদের অবদান সম্পর্কে।

আসলে গানই তো প্রাণ। গান দিয়ে মানুষ তার দুঃখ ভুলে যায়। জীবনের মানে খুঁজে পায়। অনুষ্টানের লক্ষ সেইসব শ্রুতিমধুর গান যারা গেয়েছেন তাদেরকে স্মৃতিপটে স্মরণ করা ও মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া। লীনু বিল্লাহ শুধুই একজন সঙ্গীত শিল্পী নন তিনি একজন দেশপ্রেমী বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি যোগদান করেছেন এবং যুদ্ধ করেছেন। সব থেকে নির্ভরতার কথা হলো লীনু বিল্লাহ গানের মাধ্যেমেই ঐ দিন প্রাণে বেচেঁ গিয়েছিলেন। নয় তো ঐ ৭১রেই মুছে যেতো শিল্পী লীনু বিল্লাহর নাম। তাই তিনি এখনও গানকে ভেবে থাকেন সর্ব রোগের মহাঔষধ। সঙ্গীতাঙ্গন এর পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *