জাতীয় চলচ্চিত্রের সেরা সঙ্গীত পরিচালক…

দেশ স্বাধীন হবার পর সর্বপ্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুস্কার প্রদান শুরু হয় ১৯৭৫ সাল থেকে। প্রতি বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরুস্কার দেয়া হয় চলচ্চিত্রকে আরও উন্নতি করার লক্ষ নিয়ে। এই পর্যায়ে সঙ্গীতাঙ্গন তুলে ধরছে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত পরিচালকদের পুরুস্কারের চিত্র। ক্রমান্বয়ে গীতিকার, গায়ক/গায়িকাদের নিয়ে প্রতিবেদন করা হবে শুধু মাত্র পাঠক/পাঠিকা আপনাদের ধারনা দেয়ার জন্য।

ফেরদৌসি রহমান যিনি একমাত্র মহিলা সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পুরুস্কৃত হন ১৯৭৬ সালে, একমাত্র পর পর ৩বার এবং মোট সাতবার পুরুস্কৃত হন আলাউদ্দিন আলী এবং আলম খান মোট ৫বার পুরুস্কৃত হন, ৩বার করে বিভিন্ন সময়ে পুরুস্কার গ্রহন করেন খন্দকার নুরুল আলম, সুজেয় শ্যাম এবং ইমন সাহা, ২বার করে পুরুস্কৃত হয়েছেন আজাদ রহমান, সত্য সাহা, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। চলবে…

১৯৭৫ – দেবু ভট্টাচার্য এবং লোকমান হোসেইন ফকির (দ্বৈতভাবে) – চরিত্রহীন।
১৯৭৬ – ফেরদৌসি রহমান – মেঘের অনেক রঙ।
১৯৭৭ – আজাদ রহমান – যাদুর বাঁশি।
১৯৭৮ – আলাউদ্দিন আলী – গোলাপি এখন ট্রেনে।
১৯৭৯ – আলাউদ্দিন আলী – সুন্দরী।
১৯৮০ – আলাউদ্দিন আলী – কসাই।
১৯৮১ – পুরস্কার নাই।
১৯৮২ – আলম খান – বড় ভাল লোক ছিল।
১৯৮৩ – পুরস্কার নাই।
১৯৮৪ – খন্দকার নুরুল আলম – চন্দ্রনাথ।
১৯৮৫ – আলম খান – তিন কন্যা, আলাউদ্দিন আলী – প্রেমিক
১৯৮৬ – খন্দকার নুরুল আলম – সুভদা।
১৯৮৭ – আলম খান – সারেন্ডার।
১৯৮৮ – আলাউদ্দিন আলী – যোগাযোগ।
১৯৮৯ – আলী হোসইন – ব্যাথার দান।
১৯৯০ – আলাউদ্দিন আলী – লাখে একটা।
১৯৯১ – খন্দকার নুরুল আলম – পদ্মা মেঘনা যমুনা।
১৯৯২ – আলম খান – দিনকাল।
১৯৯৩ – আজাদ রাহমান – চাঁপাবাজ।
১৯৯৪ – সত্য সাহা – আগুনের পরশমণি।
১৯৯৫ – পুরস্কার নাই।
১৯৯৬ – সত্য সাহা – অজান্তে।
১৯৯৭ – খান আতাউর রহমান – এখনো অনেক রাত।
১৯৯৮ – পুরস্কার নাই।
১৯৯৯ – আলম খান – বাঘের থাবা।
২০০০ – পুরস্কার নাই।
২০০১ – আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল – প্রেমের তাজমহল।
২০০২ – সুজেয় শ্যাম – হাসন রাজা, আলাউদ্দিন আলী – লাল দরিয়া।
২০০৩ – পুরস্কার নাই।
২০০৪ – সুজেয় শ্যাম – জয়যাত্রা।
২০০৫ – আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল – হাজার বছর ধরে।
২০০৬ – শেখ সাদী খান – ঘানী।
২০০৭ – এস আই টুটুল – দারচিনি দ্বীপ।
২০০৮ – ইমন সাহা – চন্দ্রনাথ।
২০০৯ – আলম খান – ইবাদত।
২০১০ – সুজেয় শ্যাম – অবুঝ বউ।
২০১১ – হাবিব ওয়াহিদ এবং ইমন সাহা (দ্বৈতভাবে) – প্রজাপতি এবং কুসুম কুসুম প্রেম।
২০১২ – ইমন সাহা –
২০১৩ – শওকত আলী ঈমন – পূর্ণদৈর্ঘ প্রেম কাহিনী।
২০১৪ – সায়েম রানা – নেকাব্বরের মহাপ্রয়ান।
২০১৫ – সোয়ানি জুবায়ের – অনিল বাগচির একদিন।

অলংকরন – মাসরিফ হক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: