Press "Enter" to skip to content

‘এই সেই নাসিমা খান’ যে মাটির বুকে গানের স্রষ্টা…

“যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে
লক্ষ মুক্তিসেনা,
দে… না.. তোরা দে…না..
সে মাটি আমার অঙ্গে মাখিয়ে দেনা।”

– হৃদয় শীতল হয় যে কালজয়ী দেশাত্মবোধক গানটি শোনলে এই পরান উজাড় করা গানের গীতিকবি শ্রদ্ধেয়া নাসিমা খান। অনেক ভালবাসা দিয়ে অনেক যত্ন করে দেশের প্রতি ভক্তি রেখে শ্রদ্ধা রেখে তিনি লিখেছেন অনেক গান যার মধ্যে অন্যতম এই গানটি।
দেশের সঙ্গীতশিল্পী সহ শ্রোতা এমন কেউ নাই যে এই গানটি কেউ শোনেননি। শ্রদ্ধেয় সৈয়দ আব্দুল হাদীর গাওয়া এই জনপ্রিয় গানের সুরকার সেলিম আশরাফ। এই গানের কথা এবং সুর এখনো শ্রোতাদের চোখে জল এনে দেয়। মা-মাটির কথা, মুক্তিযোদ্ধাদের কথায় সাজানো হয়েছে এই গানের কথা। সবাই এই গানটিকে প্রিয় গান করে নিলেও এখনো অজানাই রয়ে গেছে গানের স্রষ্টাদের কথা।
অনেকেই জানেন না কে এই গানের গীতিকবি, কে নাসিমা খান?
গানের সুরকার শ্রদ্ধেয় সেলিম আশরাফ তার স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন তার সুরসৃষ্টি যে মাটির বুকে গানের রচিয়িতার কথা।
তিনি বলেন, ‘আমার সুরারোপিত’ যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা গানটি দেশের প্রায় সকল সঙ্গীত প্রিয় মানুষই জানে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সর্বধিক জনপ্রিয় এই গানটি যিনি রচনা করেছেন তাঁকে দেশের বেশীরভাগ মানুষই চেনেনা। গানটি ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা “ধলেশ্বরী”র সম্পাদিকা বিশিষ্ট কবি এবং গীতিকবি নাসিমা খান লিখেছেন যিনি এখনো সবার মাঝে আছেন কিন্তু সম্পুর্ণ প্রচার বিমুখ। আমার সুরারোপিত নাসিমা খানের লেখা অনেক গানের মধ্যে আবিদা সুলতানার কন্ঠে দেশের গান “ওই যে দেখা যায় রে, হিজল তলী গাঁয়রে”, আলম আরা মিনুর কন্ঠে “এই গাঁয়েরই মেয়ে আমি সবই আমার চেনা”, সৈয়দ আব্দুল হাদীর কন্ঠে “বঁধু ঘোমটা খোল ওই মুখখানি তোল”, এবং ” তুমি নতুন কিছু শোনালে আজ অনেক দিনের পরে” বিশেষভাবে আলোচিত। আসুন সবাই এই দেশপ্রেমিক গীতিকারের দীর্ঘ সুস্থ্য জীবন কামনা করে তাঁকে অসাধারন গান রচনার জন্য শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দনটা জানাই।
আমাদের সঙ্গীতাঙ্গন এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধেয়া নাসিমা খান এর প্রতি রইলো শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। – মোহাম্মদ আমিন আলীফ

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: