কিং অফ দ্যা ব্লুজ – বি. বি. কিং…

পাশ্চাত্য সঙ্গীতের যে ধারা আমরা উপভোগ করছি তার যদি শেকড় খুঁজতে যাই তবে দেখব যে -এর অধিকাংশ ধারা এসেছে গসপেল বা চার্চ সঙ্গীত থেকে। এই গসপেল এর সাথে জ্যাজ -এর সংমিশ্রনের ফলে যে আফ্রো-অ্যামেরিকান সঙ্গীতের সৃষ্ঠি হয় তাই ব্লুজ সঙ্গীত। ব্লুজ সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে স্মৃতির দৃষ্টি পটে ভেসে উঠে সেই অনবদ্য গিটারবাদক ও সৃষ্টিশীল গায়ক বি. বি. কিং এর কথা।

বি. বি. কিং -এর জন্ম ১৯২৫ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর ইটাবেনা, ইন্ডিয়ানোলা, মিসিসিপিতে। তিনি খুব গরীব ঘরে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর যখন মাত্র চার বছর বয়স তখন তাঁর বাবা মার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। মাত্র নয় বয়সে তাঁর মা মারা যান। পনের বছর বয়স হতে গিটার হাতে নেন এবং প্রথম অবস্হায় চার্চে গান গাইতেন। চার্চে গান গাওয়া অবস্হায় তিনি একটি গসপেল গ্রুপ গঠন করেন, কিন্তু ইউ এস আর্মিতে যোগদানের ফলে গ্রুপটির ইতি ঘটে। আর্মি থেকে অবসর গ্রহনের পরে তিনি তার প্রাক্তন সঙ্গীতধারা বদল করে ব্লুজ -এ আসেন। সেই অবস্হাতেই তিনি ইটাবেনা শহরের নানা স্হানে বাজানো শুরু করেন। ‘৪৬ সালে তিনি মেমফিসে চলে আসেন। সেখানে তার খালাতো ভাই লেজেন্ডারী বুকা হোয়াইট এর সাথে ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকতেন। মেমফিস শহরে  তিনি রেডিও ষ্টেশনে বিজ্ঞাপনের সঙ্গীত প্রযোজনা করা শুরু করেন। পরে এই ক্যারিয়ারের জন্য নিজের রেডিও ষ্টেশন খোলার পর তিনি ডি জে রাইলিং কিং হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এই সময়ে ‘ব্লুজ বয় ফ্রম বেইলী ষ্ট্রিট’, ‘ববি ব্লু ব্ল্যান্ড’, ‘জনি এইস’, বি. বি. কিং এর সাথে কাজ করেন। এর পরপরই তিনি তার আসল নাম বদলিয়ে বি. বি. কিং নাম ধারন করেন। ‘৪৯ সালে আরাকসাসে একটি অনুষ্ঠানে কিছু লোক “লুসিল” নামের একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে মারপিট করছিল যার ফলে কেরোসিনের হিটার উল্টে পড়ে সেই ঘরে আগুন লেগে গিয়ে চারিদিকে আতংকের সৃষ্টি হয়। বি. বি. কিং বাঁচার তাগাদায় সকলের সাথে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন কিন্তু তার গিটার সেই ঘরে থেকে যাওয়ায় তিনি এই কারনেই আবার সেখানে নিজের প্রানের মায়া না করে ফিরে গিয়ে তার গিটার উদ্ধার করেন। এখানে উল্লেখ্য যে তিনি তার গিটারের নাম দিয়েছিলেন ‘লুসিল’। বি. বি. কিং প্রথমবারেরমতঃ মর্ডান মিউজিক (R.P.M. KENT. CROW. MODERN OLDIES LABELS) এর সাথে কনট্র্যাক্ট সই করেন যার ফলে তার ক্যারিয়ারের সূচনা ঘটে। এবং ৩১টি গান রিদম এন্ড ব্লুজ -এর চার্টে যায় ও ১৫টি গান ইউএস টপ টেন -এ স্হান করে নেয়। ১নং চার্টে স্হান পাওয়া তার প্রথম দু’টি গান হচ্ছে “থ্রি ও’ক্লক ইন দ্যা মরনিং” এবং “ইউ নো আই লাভ ইউ”। এই গানের ধাঁচ ঠিক উৎকৃষ্ঠ ব্লুজ এর পর্যায়ে না পড়লেও তা ঠিকই ‘আর এন বি’ চার্ট দখল করে রাখে। একজন ব্লুজ আর্টিষ্ট হিসেবে তার একটি নীতি ছিল, “I would rather miss money but not a gig’ – মূল কথা হচ্ছে তিনি অর্থের চাইতে অনুষ্ঠানকেই সর্বদা বেশী প্রাধান্য দিতেন। ‘৫৫-‘৫৬ পর্যন্ত এই এক বছর সময়ের ভিতর তিনি ১৮টি (কার ক্র্যাশ) দূর্ঘটনা থেকে বাঁচেন। এবং একাই ১৩জন সদস্য সম্বলিত একটি ব্যান্ডের প্রধান ছিলেন।
‘৫০ এর শেষের দিকে তিনি নতুন রেকর্ড কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। তিনি একাধারে ৩২৪ দিন অনুষ্ঠান করেন, ‘৫৬ সালে জনপ্রিয় ‘লয়েড প্রাইস’ এর সহযোগিতায় তিনি সঙ্গীতে প্রচুর জনপ্রিয়তা এবং আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হন। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি প্রায়শই তিনি কালো এবং সাদাদের দ্বারা স্টেজে লাঞ্ছিত হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতের প্রধান অনুপ্রেরনা ছিল ‘টি বোন ওয়াকার’ ও ‘জিজংগো রেইনহার্ট’ এর মতো লেজেন্ডরী শিল্পীদ্বয়। তাঁর ডেল্টা ব্লুজ এর কম্বিনেশন, ‘আর’এন’বি বি’ট, গিটার স্টাইল, সেকেন্ড ভয়েস, বেন্ট নোট, স্লাইডিং তাঁকে তাঁর সময়কালের শ্রেষ্ঠ ব্লুজম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তাঁর এই ষ্টাইলের অনুপ্রেরনা এরিক ক্ল্যাপটন, ব্লুমফিল্ড এদের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। ‘৬৪ তে তাঁর ৬টি গান টপ ৪০ -এ স্হান পায়। (অন্যতম ‘রক মি বেবী’) কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে ‘৬৬ তে তাঁর দলের বাস চুরি হয়ে যায়। তাঁর স্ত্রী তাঁকে ডিভোর্স দেন। শুল্ক কর্তৃপক্ষ তাঁর উপর অধিক মাত্রায় শুল্ক আরোপ করায় তাঁর ক্যারিয়ার ক্ষতাগ্রস্হ হয়। তিনি সেই সালেই প্রাক্তন রেকর্ড কোম্পানীর সাথে চুক্তির ইতি ঘটিয়ে ABC রেকর্ড -এ (ও ব্লুজ ওয়ে, এখন MCA) চুক্তিবদ্ধ হয়ে সেখান থেকে লেজেন্ডারী এ্যালবাম “লাইভ এ্যাট দি রিগ্যাল” বের করেন। এর পরপরই তিনি একটি অর্কেষ্ট্রার প্রধান হন। (কনটেসিন দি ব্লুজ) ‘৬৪ তে তিনি ট্যুর করেন ইউরোপ ও নিউইয়র্ক -এর ‘ভিলেজ ভয়েস’ -এ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। ‘৬৯ -এ তিনি ‘নিউপোর্ট জ্যাজ ফেষ্টিভেল’ এবং ‘ দি টুনাইট শো’ তে বাজান। ‘৯০ দশকে তিনি ‘রোলিং স্টোন’ এর সাথে ইউরোপ ও অষ্ট্রেলিয়া ট্যুর করেন। ‘৭১- এ তিনি ED SULLIVAN SHOW -তে বাজান। পূর্ব পুরুষের দেশ আফ্রিকায় যান ‘৭২ -এ। এরই মধ্যে এবিসি রেকর্ড কোম্পানীর সাবসিডিয়ারী লেবেল ব্লুজ ওয়ে “ব্লুজ ইজ কিং” -‘৬৯ (লাইভ ইন শিকাগো ক্লাব) নামে বি বি কিং এর এ্যালবাম বের করে। বলা হয়ে  থাকে এই এ্যালবামে তাঁর গিটারের সাউন্ড প্রোডাকশন সবচাইতে ভাল ধারন করা হয়। এই এ্যালবামেরই গান “ব্লুজ অন টপ অফ ব্লুজ” ও “লুসিল” ইউএস টপ চার্টে স্হান দখল করে। ‘৬৮ -তে তাঁর আরও একটি উল্লেখযোগ্য এ্যালবাম “দি এক্সেকট্রিক বি বি কিং” বের হয়। এই এ্যালবামের গান ‘পেয়িং দি কস্ট টু বি দি বস’ ইউ এস টপ টেন -এ ১০ নম্বর স্হান পায়।
“লাইভ এন্ড ওয়েল” এ্যালবামটি বের হয় ‘৬৯ সালে। এই এ্যালবামটি টপ চার্টের ৬০ নম্বরে স্হান পায়। একই বছর ‘৬৯ -এ বের হয় আরেকটি এ্যালবাম “কমপ্লিটলি ওয়েল”, এই এ্যালবামের একট গান ‘সো এক্সাইটেড’ ওয়াল্টার ব্রাউন এর ‘Comfessin’ দ্যা ব্লুজ এর নতুন ‘ট্রিটমেন্ট, দ্যা থ্রিল ইজ গন’ চার্টে ১৫ নম্বর স্হান পায়, এটিও “কমপ্লিটলি ওয়েল” এ্যালবামের একটি গান। এই এ্যালবামের সেকেন্ড গিটার বাজান হিউজ ম্যাকক্রাকেনল, পল হ্যারিস বাজান কী বোর্ড, হারবি লোভেল বাজান ড্রামস এবং জেরাল্ড ফিংগার জেমট বাজান বেস গিটার। ‘৭০ -এ বি বি কিং -এর “ইন্ডিয়ানোলা সিডস” নামক এ্যালবামটি বের হয়। এই এ্যালবামটি ইউ এস টপ চার্টে ২৬ নম্বর স্হান করে নেয়। এই এ্যালবামের ‘নোবডি লাভস মি মাই মাদার (এন্ড সি মেইবি যিভিং টু)’ এই গানটি এমন উল্লেখযোগ্য গান যা শুনলে বি বি কিং এর গানের স্বতন্ত্র ধারা সম্পর্কে ভাল ধারনা পাওয়া যায়। “কমপ্লিটলি ওয়েল” এর রেকর্ডিং স্টেশনে বি বি কিং এর সাথে একটি সিমপেথেটিক স্বল্পবয়সী টিম সহযোগিতা করেন তারা হলেন, ড্রামসে – রাস কাংকেল, বেস -এ ব্রায়ান গ্যারোফ্যালো, পিয়ানোয় ক্যারোল কিং (তিনি এই এ্যালবামের ৪টি গানে পিয়ানো বাজান) অন্যান্য গানগুলোতে পিয়ানো বাজান লিয়ান রাসেল। এবং জো ওয়ালস তিনটি গানে রিদম গিটার বাজান যার মধ্যে একটি হিট সিংগেল ‘আস্ক মি নো কসচেনস’ ইউ এস টপ চার্টে ৪০ নম্বর স্হান করে নেয়। ‘৭১ -এ “লাইভ ইন কুক কাউন্টি জেইল” এ্যালবামটি ‘রিদম এন্ড ব্লুজ’ সঙ্গীতের ইতিহাসে একটি মাইলস্টোন। তাঁর সবচেয়ে বড় হিট এ্যালবাম যা থশ চার্টে পঁচিশ নম্বরে স্হান পায় “লাইভ এ্যাট দ্যা রিগ্যাল” এর পুনঃ সংস্করণ বের হয়। “বি বি কিং ইন লন্ডন” বের হয় ‘৭১ -এ। এরপর ‘৭২ -এ দু’টি পর্যায়ক্রমে এ্যালবাম বের হয় “এল.এ মিডনাইট” ও “গেস হু” এবং পরে “মিউজিক ফর প্লেজার” ও “কিং অফ দ্যা ব্লুজ” নামে ইউ কে থেকে একটি পুনঃসংস্করণ বের হয়। “টু নো ইস টু লাভ ইউ” ‘৭৩ -এ এই এ্যালবামের টাইটেল ট্র্যাকটি ইউ এস চার্টের ৪০ নম্বরে স্হান করে নেয়। তার পরপরই ‘৭৪ এ বের হয় “টুগেদার ফর দ্যা ফাস্ট টাইম” এটি ছিল একটি লাইভ এ্যালবাম, এরপর বের হয় “টুগেদার এগেইন” ‘৭৬ -এ এটিও ছিল লাইভ। এই দু’টি এ্যালবামে তার সাথে ববি ব্লান্ড বাজান। ‘৭৫ -এ বের হয় “Lucille talks back”, ‘৭৭ -এ “কিং সাইজ”, ‘৭৮ -এ “মিডনাইট বিলিভার”, ‘৮০ সালে একটি ডাবল এ্যালবাম বের হয় “নাউ এ্যাপিয়ারিং এ্যাট ওলে মিস” এই এ্যালবামটিও ছিল লাইভ।  এই কনসার্টটি মিসিসিপি -র ‘অলে মিস ইউনিভার্সিটি’ -তে অনুষ্ঠিত হয়। এই কনসার্টে তার সাদা ও কালো উভয় ভক্তরাই তাঁকে “কিং অফ দ্যা ব্লুজ” অভিহিত করেন। ‘৮১ সালে “দেয়ার মাস্ট বি এ বেটার ওয়ার্ল্ড সাম হোওয়্যার” সিংগেল এর জন্য তিনি  গ্র্যামী এ্যাওয়ার্ড পুরস্কার লাভ করেন। ‘৮২ সালে বের করেন “লাভ মি টেন্ডার”, ‘৮৩ -তে বের হয় “ব্লুজ এন্ড জ্যাজ” এ্যালবাম।
দীর্ঘ এক বছর পরে তাঁর আরও একটি উৎকৃষ্ট মানের ব্লুজ এ্যালবাম বের হয় “হোয়াই আই সিং দ্যা ব্লুজ এন্ড সিক্স সিলভার স্ট্রিংস”। এই এ্যালবামে তাঁর সৃষ্ট ‘ডেলটা ব্লুজ’ এর সুন্দর পরিবেশন ও কমপোজিশন তাঁকে আবারও “কিং অফ দ্যা ব্লুজ” হিসেবে পরিচিতি দেয়। ‘৭০ -এর শেষের দিকে তিনি রাশিয়া ট্যুর করেন। তিনি পৃথিবীর প্রথম ব্লুজ গায়ক যিনি রাশিয়াতে কনসার্ট করেন। লন্ডন এর হ্যামারস্মিথ ও’ডিয়ন -এ, ‘৭৮ এর অক্টোবরের কনসার্ট -এ তিনি তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করেন যার ফলে লন্ডন এর দর্শকরা সাধারনতঃ যেই ধরনের ব্যাক্তিত্ব বজায় রাখে তা ভুলে গিয়ে অনেকেই স্টেজে উঠে এসে বি বি কিং এর প্রতি সশ্রদ্ধ স্বীকৃতি প্রদর্শন করে। সর্বশেষ ‘৯১ -এ “লাইভ এ্যাট অ্যাপোলো” ও “লাইভ এ্যাট সান কুইনটিন” এবং ‘৯৯ -তে “লাইভ ইন জাপান” নামে এ্যালবাম বের হয়। নিম্নে তাঁর এ্যালবাম ও সিংগেলস এর ইতিহাস দেয়া হলো এক নজরে দেখার জন্য।
বি বি কিং বিয়ে করেছিলেন দু’টো, তবে সেই বিয়ে টিকেনি বেশী দিন। ২০০৪ সাল পর্যন্ত তাঁর নাতী-নাতনী সংখ্যা ছিল পঞ্চাশ এর অধিক এবং তাঁর বিয়ে ছাড়াও অন্যান্য নারীদের কাছ থেকে মোট তাঁর সন্তানদের সংখ্যা ধারনা করা হয় পনেরো জন। বি বি কিং ছিলেন একজন সার্টিফাইড প্রাইভেট বিমান চালক, শিখেছেন ১৯৬৩ সালে শিকাগোতে। প্লেন চালিয়েছেন ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত, কিন্তু উক্ত সালে তাঁর ইনসুরেন্স কোম্পানী এবং ম্যানেজার তাঁকে অভিজ্ঞ পাইলট এর সাহায্যে চালাতে পরামর্শ দেন। পুরস্কার সংখ্যা হিসেবে রাখার মতো নয়, এত সন্মান এবং পুরস্কার জীবনে পেয়েছেন। ন্যাশনাল এ্যাওয়ার্ড থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট পদক কেনেডি, বুশ, ক্লিনটন এ্যাওয়ার্ড। দু’বার মিউজিকের উপর ডক্টরেট ডিগ্রী পেয়েছেন,  পেয়েছেন ‘৮০ সালে “দ্যা ব্লুজ হল অফ ফেইম”, ‘৮৭ সালে “দ্যা রক এন রোল হল অফ ফেইম”, “রয়েল সুইডিশ এ্যাওয়ার্ড” ইত্যাদি। অসংখ্য গ্র্যামী এ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হয়েছেন তার একটি চিত্র নীচে আপনাদের জন্য দেয়া হলো। বছর বিশেক ধরে বিভিন্ন ধরনের অসুখের সাথে লড়ছিলেন প্রেসার ও ডায়েবেটিকস সাথে। ২০১৪ তে হঠাৎ করে অসুস্হ হয়ে যাওয়ায় অনেকগুলো কনসার্ট বাতিল করতে হয়। শেষ কনসার্ট করেন ২৬ শে মে ২০১৩ -র “নিউ অরলিয়ানস জ্যাজ ফেষ্টিবেলে”। ২০১১ সালে রোলিং স্টোনস ম্যাগাজিনের সর্বকালের সেরা একশো জন গিটারিস্টদের তালিকা দেয়া হয়, বি বি কিং তালিকায় ১ নম্বর স্হানে। শিল্পীর মৃত্যু নেই। তিনি বেঁচে থাকেন তাঁর সৃষ্ঠিতে। – বাপ্পী (সংগ্রহ)

Studio albums :
1957: Singin’ the Blues 1958: The Blues 1960: My Kind of Blues 1968: Lucille 1969:Completely Well 1970: Indianola Mississippi Seeds 1971: B.B. King in London 1972: L.A. Midnight Guess Who 1973: To Know You Is to Love You 1977: King Size 1978: Midnight Believer 1979: Take It Home 1981: There Must Be a Better World Somewhere 1985: Six Silver Strings 1991: There Is Always One More Time 1993: Blues Summit 1995: Lucille & Friends 1997: Deuces Wild 1998: Blues on the Bayou 1999: Let the Good Times Roll 2000: Riding with the King Makin’ Love Is Good for You 2003: Reflections 2005: B. B. King & Friends: 80 2008: One Kind
Favor.
Live albums :
1965: Live at the Regal 1969: Live & Well 1971: Live in Cook County Jail 1974: Together for the First Time…Live 1976: Bobby Bland and B. B. King Together Again…Live 1980: Now Appearing at Ole Miss 1991: Live at the Apollo Live at San Quentin 1999: Live in Japan.
Compilations :
1975: Lucille Talks Back 1983: Why I Sing the Blues 1992: King of the Blues 1999: His Definitive Greatest Hits 2005: The Ultimate Collection 2007: The Best of the Early Years
Singles :
1951: “3 O’Clock Blues” 1952: “Shake It Up and Go” 1955: “Every Day I Have the Blues” 1956: “Sweet Little Angel” 1959: “Sugar Mama” 1961: “Someday Baby” 1962: “Going Down Slow” 1963: “Trouble in Mind” 1964: “How Blue Can You Get” “Rock Me Baby” “Please Send Me Someone to Love” 1965: “Blue Shadows” 1966:
“Eyesight to the Blind” “Just Like a Woman” “Five Long Years” “Ain’t Nobody’s Business” 1970: “The Thrill Is Gone” “Worried Life” 1976: “Let the Good Times Roll” 1985: “Big Boss Man” 1988: “When Love Comes to Town” 1992: “Since I Met You Baby”.
Other songs :
1961: “Driving Wheel 1974: “Black Night” 1977: “Don’t You Lie to Me” 1985: “In the Midnight Hour” 1990: “Into the Night” 1995: “You Shook Me” 1998: “Mean Ole’ World” 1999: “Ain’t Nobody Here but Us Chickens” “Is You Is or Is You Ain’t My Baby” “Choo Choo Ch’Boogie” “Buzz Me” “Jack, You’re Dead” “Saturday Night
Fish Fry” “Nobody Knows You When You’re Down and Out” “Early in the Mornin’” 2000: “Hold On, I’m A Comin’” “Come Rain or Come Shine” “Since I Fell for You” 2005: “Need Your Love So Bad” “Early in the Morning” 2008: “See That My Grave Is Kept Clean” “Sitting on Top of the World”.
Years reflect the year in which the Grammy was awarded, for music released in the previous year :

1971: Best Male R&B Vocal Performance for “The Thrill Is Gone” 1982: Best Ethnic or Traditional Recording for “There Must Be a Better World Somewhere” 1984: Best Traditional Blues Recording for “Blues ‘n Jazz”
1986: Best Traditional Blues Recording for “My Guitar Sings the Blues” 1991: Best Traditional Blues Recording for “Live at San Quentin”
1992: Best Traditional Blues Album for “Live at the Apollo” 1994: Best Traditional Blues Album for “Blues Summit” 1997: Best Rock Instrumental Performance for “SRV Shuffle”
2000: Best Traditional Blues Album for “Blues on the Bayou” 2001: Best Traditional Blues Album for “Riding with the King” 2001: Best Pop Collaboration with Vocals for “Is You or Is You Ain’t (Baby)” 2003: Best Traditional Blues Album for “A Christmas Celebration of Hope” 2003: Best Pop Instrumental Performance for “Auld Lang Syne” 2006: Best Traditional Blues Album for “80” 2009: Best Traditional Blues Album for “One Kind Favor” King was given a Grammy Lifetime Achievement Award in 1987.

A Grammy Hall of Fame Award was given to “The Thrill is Gone” in 1998. The award is given to recordings that are at least 25 years old and that have “qualitative or historical significance”.
Courtesy : Wikipedia..

অলংকরন – গ্লামার ওয়ার্ল্ড..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: